ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কেন ২১ জুন বছরের সবচেয়ে বড় দিন

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ১১:২৯ এএম
কেন ২১ জুন হয় বছরের সবচেয়ে বড় দিন । ছবি: সংগৃহীত

ছোটবেলার পাঠ্যবইয়ে পড়া দীর্ঘতম দিন ও দীর্ঘতম রাতের কথা অনেকেরই মনে আছে। আজ ২১ জুন, উত্তর গোলার্ধের জন্য বছরের সবচেয়ে বড় দিন। এদিন সূর্য আকাশে সবচেয়ে বেশি সময় অবস্থান করে, আর রাত হয় সবচেয়ে ছোট।

আজকের দিনে সূর্য থাকে কর্কটক্রান্তি রেখার কাছাকাছি। পৃথিবীর অক্ষ একটু হেলে থাকার কারণে সূর্যের চারপাশে ঘোরার সময় কখনো উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে বেশি ঝুঁকে যায়। ফলে এই অঞ্চলে সূর্যের আলো দীর্ঘ সময় ধরে পাওয়া যায়। আর এই কারণেই ২১ জুনকে বছরের দীর্ঘতম দিন বলা হয়।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এদিন সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ১২ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিটে। অর্থাৎ এদিন দিনের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১৩ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট।

পৃথিবীর নিয়ম অনুযায়ী, বছরের সব দিন সমান দৈর্ঘ্যের হয় না। কখনো দিন ছোট হয়, আবার কখনো বড় হয়। ২১ জুনের এই বিশেষ ঘটনাকে বলা হয় গ্রীষ্মকালীন অয়ন। সাধারণত ২০ থেকে ২৩ জুনের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন

পৃথিবীর ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি নামে দুটি বিশেষ রেখা রয়েছে। এর মধ্যে কর্কটক্রান্তি রেখা ঠিক করে দেয় উত্তর গোলার্ধে দিনের দৈর্ঘ্য কতটা হবে। ২১ জুন দুপুরে সূর্যের অবস্থান থাকে এই রেখার কাছাকাছি।

এই দিনে উত্তর মেরু সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি হেলে থাকে। তাই উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো বেশি সময় ধরে পড়ে এবং দিন হয় দীর্ঘ। তবে দক্ষিণ গোলার্ধে ঘটে ঠিক উল্টো ঘটনা। সেখানে এদিন হয় বছরের সবচেয়ে ছোট দিন এবং দীর্ঘতম রাত।

মজার বিষয় হলো, ২১ জুন কিছু সময়ের জন্য নিজের ছায়াও দেখা যায় না। সূর্যের আলো যখন ঠিক মাথার ওপর থেকে পড়ে, তখন এমন বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে।

বছরে দুবার এমন অয়ন ঘটে। ২১ জুনের পর উত্তর গোলার্ধে ধীরে ধীরে দিনের সময় কমতে শুরু করে এবং রাত বড় হতে থাকে। আবার ২২ ডিসেম্বর হয় বছরের সবচেয়ে ছোট দিন ও দীর্ঘতম রাত।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও এই দিনটি ঘিরে রয়েছে নানা আয়োজন। প্রাচীন ইউরোপের মানুষ এই সময়কে বিশেষ গুরুত্ব দিত। অনেক জায়গায় এই দিনের পর থেকেই নতুন ফসলের কাজ শুরু করা হতো।

প্রকৃতির এই নিয়ম আমাদের মনে করিয়ে দেয়, পৃথিবীর প্রতিটি পরিবর্তনের পেছনেই রয়েছে মহাকাশের নির্দিষ্ট নিয়ম আর অসাধারণ বিজ্ঞান।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না