বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ , ০৭:৩৮ পিএম
জাতীয় বেতন কমিশন এর প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে সময়ের তিন সপ্তাহ আগেই জমা দিয়েছেন। কমিশন প্রধান জাকির আহমেদ খান নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।
প্রতিবেদনে কর্মচারীদের প্রতিবন্ধী সন্তানদের জন্য মাসিক ২,০০০ টাকা ভাতা প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে। এই সুবিধা সর্বোচ্চ দুইজন সন্তানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এছাড়া, টিফিন ভাতার হার বৃদ্ধি করা হবে বলে সুপারিশ করা হয়েছে। বর্তমানে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য মাসিক ২০০ টাকা টিফিন ভাতা রয়েছে, যা প্রস্তাবিত নতুন স্কেলে ১,০০০ টাকা করা হতে পারে।
নবম বেতন কমিশন প্রস্তাবিত নতুন বেতন স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১,৬০,০০০ টাকা নির্ধারণ করেছে। বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখা হয়েছে, যা দেশের বেতন কমিশন ইতিহাসে সবচেয়ে কম অনুপাত।
বর্তমানে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর মোট বেতন-ভাতা ১৬,৯৫০ টাকা, যা প্রস্তাবিত স্কেলে ৪১,৯০৮ টাকা হবে। ১৯তম গ্রেড থেকে ১ নম্বর গ্রেড পর্যন্ত ভাতার পরিমাণও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পাবে, তবে সমতা ও যুক্তিসঙ্গত বিবেচনায় সেই বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম হবে।
কিছু ভাতা যেমন যাতায়াত, ধোলাই, ঝুঁকি ও টিফিন ভাতা শুধুমাত্র ১০ম বা ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা পাবেন। গাড়ি সেবা নগদায়ন ভাতা (৫ম গ্রেড থেকে তদর্ধ্ব) বৃদ্ধির মধ্যে রাখা হয়নি, তাই ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের ভাতা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হবে।
প্রস্তাবিত নতুন বেতন স্কেল কার্যকর হওয়ার পর ১০ শতাংশ ও ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা সমন্বয় করা যেতে পারে বলে কমিশন সুপারিশ করেছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আরটিভি/এসকে