images

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ , ০৪:৫৯ পিএম

বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। এ সময় তাদের কাছ থেকে চোরাই তামার তার উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, রঞ্জন চন্দ্র (২৫) ও রেজাকুল ইসলাম (৩২)। পুলিশ জানিয়েছে, চুরি করা তামার তার ভাঙারির দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম বিক্রি করেছিলেন গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন
3

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র প্রতিনিধির সাক্ষাৎ

সিটিটিসি জানায়, সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের তার চুরির একটি স্পর্শকাতর ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে মামলার পর ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ ঘটনায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে।

ঘটনার গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা বিবেচনায় সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ এ নিয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে বৃহস্পতিবার দুপুরে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রঞ্জন চন্দ্র স্বীকার করেন, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি ওই তার চুরি করেন। পরে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করে দেন।

রঞ্জনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একুশে হলের সামনের ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেখানো মতে চকবাজার থানার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হোসেনী দালান রোডের একটি ভাঙারির গুদাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে সিটিটিসি ধারণা করছে, সচিবালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের তার চুরির সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত। এই চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আরটিভি/এআর