বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬ , ০৪:৫১ পিএম
এক সময় তথ্যপ্রযুক্তির (আইসিটি) ব্যবসায়ী ছিলেন আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সরকারি চাকরির চেষ্টা করে বারবার ভাইভা দিয়েও ব্যর্থ হন। ক্ষুধা ও দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে একপর্যায়ে শুরু করেন আম ব্যবসা। সেই আমের ব্যবসায় ভুয়া অর্ডার দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর লোকজন বেশি হয়রানি করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্ট এই অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি লিখেন, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে f comerce এর কেমন দিনকাল যাচ্ছে। গত বছর কিছু বুস্ট করেছিলাম। ক্যাশ ইন ডেলিভারিতে জিরো অ্যাডভান্স নিচ্ছিলাম, তখন প্রচুর অর্ডার আসছিল। কিন্তু ১০ শতাংশের মতো ফেক অর্ডার আসছিল। নিলে নেবে, না নিলে ফোন রিসিভ করবে না এমন। পরবর্তীতে ৫০০ টাকা অ্যাডভান্স নেওয়ার প্রথা শুরু করলে অর্ডার কমে যায় কিন্তু লস বন্ধ হয়ে যায়।
তারেক রহমান লিখেন, বেশি হয়রানি করেছে জামায়াতের ভাইয়েরা ভুয়া অর্ডার করে। রাজনৈতিক বিরোধে টিকতে না পেরে ব্যবসায়িক ক্ষতি করতে উঠে পড়ে লাগে।
বাস্তব উদাহরণ দিয়ে তারেক রহমান লিখেন, এক দলিল লেখক ভাইয়ের বউ, গোপালভোগ আম অর্ডার করে সাইজে মাঝারি পান। গোপালভোগ একটু ছোটই হয়, কিন্তু খুব মিষ্টি হয়। আমার ওপর প্রতিশোধ নিতে সে ২ মণ আম অর্ডার করে। আমিও অ্যাডভান্স ছাড়াই দিয়ে দেই। পরে সে আর নিচ্ছিল না। পরে থানায় অভিযোগ করলে, পুলিশ হয়রানির বিষয়টা বুঝে ডাকে। দম্পতি তো কান্নাকাটি, দুই মণ আম তারা কি করবে। মাপ-টাপ চাইল। পুলিশের সামনেই এই দলিল লেখক দম্পতি আমের বক্স খুলে, পুলিশ ভাইয়েরা পরীক্ষা করতে দুটো আম খায়। আম সুস্বাদু ও মিষ্টি হওয়াতে ঐ দম্পতিকে ১০ কেজি আম দিয়ে বাকি পুরোটাই পুলিশ ভাইয়েরা দাম দিয়ে রেখে দেয়।
আরটিভি/এমএইচজে