images

রাজনীতি

ইসিতে আয়-ব্যয়ের হিসাব দিল জাতীয় পার্টি

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬ , ০৪:২১ পিএম

গত বছরের (২০২৫ সালের) আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি। দলটি গত বছরে আয় করেছে এক কোটি ৮২ লাখ ৪ হাজার ২৭০ টাকা। একই সময়ে ব্যয় হয়েছে এক কোটি ৮৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৩ টাকা। তবে বর্তমানে তাদের ব্যাংকে জমা আছে ৭৮ লাখ ৬১ হাজার ৭৩১ টাকা।
 
রোববার (২৬ জুলাই) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে গত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেন জাপার অতিরিক্ত মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া।

এরপর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদের দলের আয় হয়েছে এক কোটি ৮২ লাখ ৪ হাজার ২৭০ টাকা। এসময়ে ব্যয় হয়েছে এক কোটি ৮৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৩ টাকা। এক্ষেত্রে আমাদের ৫ লাখ ৭৯ হাজার ১৬৩ টাকা বেশি খরচ হয়েছে। তবে, ২০২৪ সালের স্থিতিসহ ব্যাংকে জমা ছিল ২ কোটি ৬৬ লাখ ৫৫ হাজার ১৬৪ টাকা। ২০২৫ সালের খরচ শেষে এখন ৭৮ লাখ ৬১ হাজার ৭৩১ টাকা জমা আছে।

আরও পড়ুন
Web-Image

১৫ আগস্ট ঢাকায় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন


 
রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, এ বছর নির্বাচন হওয়ায় আমাদের খরচ বেশি হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাপার সমর্থিত প্রার্থী থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলগতভাবে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। তারপরও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের বাইরে থাকে না, সমর্থন করে থাকে। গতবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী দিলেও এবার আমাদের প্রার্থীরা যার যার মতো অংশ নেবেন এবং আমাদের তাতে সমর্থন থাকবে।

সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিচার দাবি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নর জবাবে রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, তিনি অসুস্থতাজনিত কারণে পদত্যাগ করেছেন। সেক্ষেত্রে তিনি রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সংবিধান বিরোধী কার্যক্রম করেছিলেন কি না দেখার বিষয়,  ওই কার্যক্রম না করলে আমরা কেন তার গ্রেফতারের দাবি করবো? এ বিষয়ে জাপার কোনো মন্তব্য নেই।
 
আওয়ামী লীগের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে জাপায় ভাঙন হয়েছে, এর প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে দলটির অতিরিক্ত মহাসচিব বলেন, যারা দল ভেঙেছিল, তাদের অধিকাংশই জি এম কাদেরের নেতৃত্বে ফিরে এসেছেন। আগামী নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার) সারাদেশে আমরা ভালো করবো বলে বিশ্বাস করি এবং কিছু অঞ্চলভেদে আমাদের প্রার্থীরা ভালো ফলাফল করবে বলে প্রত্যাশা করি। আর এ ভাঙনের প্রভাব তৃণমূলে নেই। দুই অংশ একীভূত হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।  

আরটিভি/এমএ