বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ , ০৪:২৪ পিএম
নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘গণহত্যা দিবস’ পালন করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) দূতাবাস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি, নেপালি নাগরিক এবং দূতাবাসের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কালরাত এবং দীর্ঘ নয় মাসের মহান মুক্তিযুদ্ধে শাহাদাতবরণকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একইসঙ্গে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রার্থনা করা হয়।
এরপর দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে।
প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন শেষে গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত ২৫শে মার্চের ভয়াল রাতে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি ‘গণহত্যা দিবস’-এর প্রেক্ষাপট বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন এবং ১৯৭১ সালে সংঘটিত এই নৃশংস গণহত্যার ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি একটি বৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। শহীদদের স্বপ্ন পূরণে দেশপ্রেমের চেতনায় উজ্জীবিত হওয়ার জন্য তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি অনুরোধ জানান।
অনুষ্ঠানে আগত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও আলোচনায় অংশ নিয়ে ২৫শে মার্চের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি জানান। তারা মনে করেন, সঠিক ইতিহাস চর্চার মাধ্যমেই একটি উন্নত জাতি গঠন সম্ভব।
আরটিভি/এআর