শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ , ০৯:৩১ এএম
কোরবানি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা আদম (আ.)-এর যুগ থেকে প্রচলিত। কোরআনের সুরা মায়েদায় (আয়াত : ২৭-৩১) আদম (আ.)-এর দুই সন্তানের কোরবানির ঘটনা উল্লেখ রয়েছে। ইসলামে কোরবানি মিল্লাতে ইব্রাহীমি অনুসরণে পালন করা হয়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
‘যার কোরবানির সামর্থ্য আছে, তবুও সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে।’ (মুসনাদে আহমদ: ২/৩২১)
কোরবানির জন্য নির্ধারিত পশু হলো উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা। এসব পশু ছাড়া অন্য কোনো পশু দিয়ে কোরবানি গ্রহণযোগ্য নয়। একইসঙ্গে পশু সুস্থ ও ত্রুটিমুক্ত হওয়া আবশ্যক।
কোরবানির পশুর পেটে বাচ্চা পাওয়া গেলে কী করবেন?
ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী—
জবাইয়ের পর যদি কোরবানির পশুর পেটে জীবিত বাচ্চা পাওয়া যায়, তাহলে সেটিকেও জবাই করা যাবে। এরপর তার গোশত খাওয়া ও দান করা উভয়ই বৈধ।
আর যদি কোরবানির পশু কেনার পর কিন্তু জবাইয়ের আগে তার বাচ্চা জন্ম নেয়, তাহলে সেই বাচ্চা জীবিত অবস্থায় দান করে দিতে হবে।
যদি কেউ সেই বাচ্চা জবাই করে খেয়ে ফেলে, তবে তার মূল্য সাদকা করে দিতে হবে।
এ বিষয়ে ফিকহের কিতাবে বলা হয়েছে—
(খুলাসাতুল ফাতাওয়া: ৪/৩২২, আল মুহীতুল বুরহানী: ৮/৪৭১, ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ৫/৩০১, রদ্দুল মুহতার: ৬/৬২২)
ইসলামি আলেমরা বলেন, কোরবানির প্রতিটি অবস্থায় সতর্কতা ও শরিয়তের বিধান মেনে চলাই মূল দায়িত্ব।
আরটিভি/জেএমএ