images

ধর্ম

কবরের আযাব থেকে বাঁচাবে যে ছোট্ট আমল 

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ০৯:৫০ এএম

মৃত্যু অবধারিত। দুনিয়ার জীবন শেষ হওয়ার পর মানুষের আখিরাতের যাত্রা শুরু হয় কবরের মাধ্যমে। ইসলামে কবরই আখিরাতের প্রথম ধাপ। সেখানে মানুষের আমল অনুযায়ী শান্তি বা আযাব নির্ধারিত হবে।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন,

"তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, মৃত্যু তোমাদের পাকড়াও করবেই, যদিও তোমরা সুউচ্চ ও সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান করো।"
— সূরা নিসা, আয়াত: ৭৮

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) নিয়মিত দাজ্জালের ফিতনা ও কবরের আযাব থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। তিনি উম্মতকেও এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

তবে কবরের আযাব থেকে মুক্তির একটি বিশেষ আমলের কথাও হাদিসে এসেছে। ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, এক সাহাবি অজান্তে একটি কবরের ওপর তাঁবু স্থাপন করেছিলেন। পরে তিনি শুনতে পান, কবরের ভেতর থেকে একজন ব্যক্তি সম্পূর্ণ সূরা মুলক তিলাওয়াত করছেন।

আরও পড়ুন
Web-Image-copy-Recovered

পবিত্র আশুরার রোজা ও মহররমের ফজিলতপূর্ণ আমল

ঘটনাটি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জানানো হলে তিনি বলেন,

"এটি প্রতিরোধক, এটি মুক্তিদায়ক। এটি কবরের আযাব থেকে মুক্তি দেয়।"
— সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৮৯০

অন্য এক হাদিসে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, কুরআনের ৩০ আয়াতবিশিষ্ট একটি সূরা রয়েছে, যা পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং তাকে ক্ষমা করিয়ে দেবে। সেই সূরাটি হলো সূরা মুলক।

"তাবারাকাল্লাযি বিইয়াদিহিল মুলক"
— সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৮৯১; সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৪০০

আলেমদের মতে, প্রতিদিন রাতে সূরা মুলক তিলাওয়াত করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। এটি শুধু কবরের আযাব থেকে মুক্তির আশাই জাগায় না, বরং আখিরাতের সফলতার পথও সুগম করে।

তাই দুনিয়ার ব্যস্ততার মধ্যেও প্রতিদিন অন্তত কয়েক মিনিট সময় বের করে সূরা মুলক তিলাওয়াতের অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামি স্কলাররা।


আরটিভি/জেএমএ