মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬ , ০৪:৪১ পিএম
Failed to load the video
নানা সংকটে জর্জরিত শত বছরের পুরোনো চট্টগ্রামের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতাল। ঝুঁকি নিয়ে জরাজীর্ণ ভবনে চলছে চিকিৎসাসেবা। রয়েছে পর্যাপ্ত ডাক্তার, নার্স ও যন্ত্রপাতির সংকট। একাধিকবার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সেবার মান বাড়ানোর দাবি উঠলেও নীরব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
১৮৪০ সালে ডিসপেনসারি হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে ১৯০১ সালে অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়। ১৯৮৭ সালে এটি হয় ৮০ শয্যার চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতাল। পরে ১৫০ শয্যা করা হয়। ২০১২ সালে এটিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে রুপান্তর করা হলেও সরকারের সঠিক নজরদারি আর অবহেলায় সেবার মান তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। রয়েছে ডাক্তার, নার্সসহ আধুনিক যন্ত্রপাতির তীব্র সংকট।
পুরোনো জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকি নিয়েই চলছে সেবা প্রদান। ভবনের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে ফাটল, ছাদ থেকে খসে পড়ছে প্লাস্টার। এমন অবস্থায় ক্ষুব্ধ আর আতঙ্কিত সেবাপ্রত্যাশীরা।
সেবাপ্রত্যাশীরা জানান, চট্টগ্রাম মেডিকেল ছাড়া এই জেনারেল হাসপাতালে শুধুমাত্র ১০/১২টা আইসিইউ আছে। এখানে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারের নজর দেওয়া দরকার। এখানে প্রচুর চিকিৎসার জন্য রোগী আসেন।
ঝুঁকি থাকলেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে নীরব চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর রাশেদুল করিম।
ভঙ্গুর অবকাঠামো এবং যাবতীয় সংকটের কথা স্বীকার করলেও সমাধান জানা নেই স্বয়ং সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর। তিনি জানান, হাসপাতালটি ২৫০ বেড করা হয়েছে কিন্তু জনবল আছে ১৫০ বেডের। আইসিইউ আছে জনবল নেই।
এ বিষয়ে আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মোহাম্মদ একরাম হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি দিয়েছি। আমাদের আসলে একটি পূর্ণাঙ্গ একটি প্লাটফর্মে একই কম্পাউন্ডের মধ্যে যদি টোটাল বিল্ডিংটা চলে আসে, তখন হয়তো রোগীদের আরও বেশি সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
চট্টগ্রামের ২য় বৃহত্তম হাসপাতালটির এমন বেহাল দশার পেছনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়হীনতা ও দায়িত্বহীনতাকেই দুষছে ভুক্তভোগীরা।
আরটিভি/এমএ