জমি থেকে বাদাম তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বান্দরবানের কৃষকরা। জেলা সদরের বালাঘাটা, ভরাখালী এবং সাঙ্গু নদীর তীরে বিস্তীর্ণ জমিতে এই বাদাম আবাদ করা হয়েছে। মান ভালো হওয়ায় প্রতিবছর চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন প্রান্তের পাইকারদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে এই বাদাম।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কেউ জমি থেকে বাদাম গাছ তুলছেন, কেউ করছেন শিকড় থেকে আলাদা, আবার কেউ ব্যস্ত রোদে শুকানোর কাজে। ভোরের আলো ফুটতেই বান্দরবানের সাঙ্গু নদীর চরে বাদাম নিয়ে এই ব্যস্ততা চলে চাষীদের। এ বছর ফলন ভালো হওয়ায় বাদাম চাষে প্রায় দ্বিগুণ লাভের কথা জানান কৃষকরা। কারণ এই বাদামই তাদের বছরের একটি বড় আয়ের উৎস।
পাহাড়ি এই জেলায় চলতি বছর ২ হাজার ৩৪২ হেক্টর জমিতে বাদাম আবাদ করা হয়েছে। সম্ভাবনাময় এই ফসলটির চাষ বাড়লে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা বলছেন চাষীরা।
একজন কৃষক বলেন, আমরা বর্ষার পরে এখানে বালুর চরে বাদাম চাষ করি। ফলও ভালো হয়েছে।
আরও একজন কৃষক বলেন, এ বছর ফলন ভালো হয়েছে। চাহিদাও আছে, দামও ভালো পেয়েছি। আর লাখ ঢের লাখ টাকায় বেসতে পাড়বো।
এই পার্বত্য অঞ্চলে স্থানীয় জাতের ও চীনা বাদাম-৬ চাষ হয়েছে। এটি চাষে কৃষকদের উন্নত বীজ, সার ও প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা জানান কৃষি কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে বান্দরবানের কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক আবু নাঈম মো. সাইফুদ্দিন বলেন, পরিকল্পিতভাবে যদি আমরা তাদেরকে আরও প্রশিক্ষণ দিতে পারি, তাদের যে জমিগুলো আছে সেগুলো যদি সব কাজে লাগাতে পারি তাহলে উৎপাদন বহু গুণে বেড়ে যাবে।
আরটিভি/এমএ




