বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ , ০৬:২১ পিএম
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সেচ কাজে ব্যবহৃত ডিজেল সংগ্রহে কৃষকদের জন্য নতুন করে ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কৃষি অফিসের প্রত্যয়নপত্র। এ প্রত্যয়ন ছাড়া ফিলিং স্টেশন থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে না ডিজেল। ফলে প্রতিদিন সকাল থেকেই কৃষি অফিস ও ফিলিং স্টেশনগুলোতে দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে কৃষকদের। এতে একদিকে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বেড়ে যাচ্ছে উৎপাদন খরচ। কষ্টের যেন শেষ নেই তাদের।
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি কামাল হোসেনের পাঠানো প্রতিবেদনে জানা গেছে, ঘাটাইলে বোরো আবাদে সেচ দিতে ডিজেল সংগ্রহ করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। প্রত্যয়নপত্র ছাড়া কোনো ফিলিং স্টেশনেই মিলছে না ডিজেল। ফলে জ্বালানি পেতে কৃষি অফিসকেন্দ্রিক চাপ বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।
দিনের পর দিন ঘুরেও প্রয়োজনীয় ডিজেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন অনেক কৃষক। এতে ব্যাহত হচ্ছে সেচ কার্যক্রম, অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছে চলতি মৌসুমের ফসল উৎপাদন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কৃষি অফিসের সামনে লেগেই থাকছে ভিড়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা কৃষকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন।
তীব্র গরমে দিনের পর দিন ঘুরেও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে খালি হাতে ফিরছেন তারা। এতে একদিকে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে কৃষকদের খরচ ও শারীরিক কষ্ট। সময়মতো জমিতে সেচ দিতে না পারায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা জানান, যাচাই-বাছাই শেষে প্রত্যয়নপত্রের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের কাছেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রত্যয়নপত্রের প্রক্রিয়া সহজীকরণ, অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ এবং পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে চলতি সেচ মৌসুম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
আরটিভি/এমএইচজে