সেচের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা ডিজেলের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা নয়, নেই বিদ্যুতের জন্য অপেক্ষার অনিশ্চয়তা— এখন সূর্যের আলোই চালাচ্ছে সেচ পাম্প। খোলা মাঠে রোদ পড়তেই নিঃশব্দে ঘুরতে শুরু করে মেশিন, আর সেই পানিতে ভিজে ওঠে ফসলের জমি। যেখানে আলো, সেখানেই সম্ভাবনা— এই কথাটাই যেন নতুন করে সত্যি হয়ে উঠছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার পরশুরিয়া গ্রাম। এখানেই সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে সেচ সুবিধা পাচ্ছেন কৃষকরা।
বর্তমান জ্বালানি সংকটে যখন অনেকেই ডিজেলের অভাবে সেচ দিতে পারছেন না, তখন এই গ্রামে নেই সেই ভোগান্তি। সোলার প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে চলছে নলকূপ, আর সেখান থেকে পানি যাচ্ছে সরাসরি জমিতে।
খরচও কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। আগে যেখানে সেচের জন্য ঘণ্টায় ১৫০ টাকা পর্যন্ত দিতে হতো, এখন অল্প খরচেই কাজ চলছে। ফলে উৎপাদন ব্যয় কমে কৃষকরা পাচ্ছেন বাড়তি স্বস্তি।
এই ব্যবস্থায় প্রায় ২০ একর জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। যে জমিগুলো একসময় অনাবাদি পড়ে থাকতো, এখন সেখানে নিয়মিত আবাদ হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, সূর্যের আলোকে কাজে লাগিয়ে এই সেচ ব্যবস্থা এখন শুধু বিকল্প নয়— বরং সংকটের সময় টিকে থাকার এক কার্যকর সমাধান হয়ে উঠছে।
আরটিভি/এমএইচজে



