রোববার, ০৩ মে ২০২৬ , ০৬:২৫ পিএম
Failed to load the video
‘বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।’ কাজের মাঠে যেন কবি নজরুলের সেই অমর পঙক্তির প্রতিফলন দেখা যায়— কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমানতালে কাজ করছেন নারী ও পুরুষ। কিন্তু দিন শেষে মজুরি পাওয়ার সময়ই স্পষ্ট হয়ে ওঠে দুস্তর ব্যবধান।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, আগাম জাতের বোরো ধান কাটার ধুম পড়েছে। কাস্তে হাতে কেউ ধান কাটছেন, কেউ আঁটি বাঁধছেন, আবার কেউ নিচ্ছেন মাড়াইয়ের প্রস্তুতি। এই পুরো প্রক্রিয়ায় সমানভাবে অংশ নিচ্ছেন নারী শ্রমিকরাও। তবুও তাদের প্রাপ্য মজুরি মিলছে না বলে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।
তীব্র রোদে পুরুষদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করলেও পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন নারীরা। নারী শ্রমিকরা জানান, একই কাজ করেও তারা পুরুষদের তুলনায় অনেক কম মজুরি পান। দীর্ঘদিনের এই বৈষম্য এখন প্রায় ‘স্বাভাবিক নিয়মে’ পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় শ্রমিক নেতারাও মনে করেন, নারী শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। এই ব্যবধান দূর করতে সরকারি ও স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
মাঠে সমান শ্রম দিলেও প্রাপ্য অধিকারের লড়াইয়ে এখনো পিছিয়ে আছেন নারী শ্রমিকরা। তবে এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে পরিবর্তনের দাবি দিন দিন আরও জোরালো হয়ে উঠছে।
আরটিভি/এমএইচজে