মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬ , ০৯:১৭ পিএম
Failed to load the video
শুরু হয়েছে কাউন্টডাউন। একটি ছোট ভুলও ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়। তাই তো প্রতিটি তার, সার্কিট আর যন্ত্রাংশ বারবার পরীক্ষা করছেন প্রকৌশলীরা। কারণ মহাকাশ নিয়ে প্রতিযোগিতা এখন আর শুধু যুক্তরাষ্ট্র আর রাশিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সেই লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে এবার নতুন মানববাহী মহাকাশযানের মিশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। উৎক্ষেপণ টাওয়ারে ইতোমধ্যেই দাঁড়িয়ে আছে শেনঝৌ-23। কয়েক দিনের মধ্যেই মহাকাশে পাঠানো হবে চীনের এই নতুন মানববাহী মহাকাশযান। আর এখন চলছে শুধু শেষ মুহূর্তের নিরাপত্তা পরীক্ষা, জ্বালানি প্রস্তুতি আর পূর্ণাঙ্গ উৎক্ষেপণ মহড়া।
উত্তর-পশ্চিম চীনের জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টারে এখন চলছে টানটান ব্যস্ততা। আর এই মিশনকে নিজেদের মহাকাশ শক্তি প্রদর্শনের আরেকটি বড় ধাপ হিসেবে দেখছে বেইজিং। লং মার্চ-২এফ রকেটের সঙ্গে শেনঝৌ-23 মহাকাশযানের সমন্বিত কাঠামো ইতোমধ্যেই বিশাল উৎক্ষেপণ টাওয়ারে স্থাপন করা হয়েছে।
চায়না অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কর্পোরেশনের রকেট ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার শু ঝেয়াও জানান, এপ্রিলের ১৯ তারিখ থেকে বিভিন্ন সিস্টেমের ধারাবাহিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা, পাইরোটেকনিক ডিভাইস, স্পেসক্র্যাফট ডকিং এবং সাবসিস্টেম টেস্টিং সম্পন্ন হয়েছে সফলভাবে। তবে এখন পর্যন্ত সব সিস্টেম নির্ধারিত মান অনুযায়ী কাজ করছে। সামনে আরও তিন দফা বৈদ্যুতিক পরীক্ষা চালানো হবে। এর মধ্যে থাকবে উৎক্ষেপণ এলাকার কার্যকারিতা যাচাই, ইগনিশন ও জরুরি শাটডাউন সার্কিট পরীক্ষা এবং পুরো উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়ার মহড়া। এসব ধাপ সফলভাবে শেষ হলে করা হবে গ্যাস লিক পরীক্ষা ও রকেটে জ্বালানি ভরার কাজ। এরপরই চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হবে উৎক্ষেপণের সময়।
আরটিভি/এআর