ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

যারা রেগে থাকে তারাই শুধু পায় এখানে আমন্ত্রণ!

সুপ্তি রায়, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ০৯:১৩ পিএম

খুব বেশি রেগে আছেন? হতাশ? চোখের সামনে কিছু দেখলেই ভাঙচুর করতে ইচ্ছে করছে? তাহলে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে ভিডিও। আজ জানাবো এমন এক জায়গার ঠিকানা যেখানে রেগে থাকা ব্যক্তিরা হয় আমন্ত্রিত। এরপর হাতে দেয়া হয় ব্যাট, হাতুড়ি কিংবা গলফ ক্লাব। আর সামনে সাজিয়ে রাখা হয় টিভি, প্লেট, ফ্রিজ, কম্পিউটারসহ নানা জিনিসপত্র। তারপর? যা ইচ্ছা ভাঙুন। যত জোরে পারেন আঘাত করুন। আর সেই সুযোগ হাতে পেয়েই কেউ প্লেট ছুড়ে মারছেন দেয়ালে। কেউ আবার হাতুড়ি দিয়ে গুঁড়িয়ে দিচ্ছেন আসবাব।

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও, এই ওয়ার্কশপে মানুষ ঠিক এ কাজটাই করেন রাগ কমাতে। ফ্রান্সের নোয়াল-শাতিওঁ-সুর-সেইচে শহরের এই “রেজ রুম” বা “স্ম্যাশ রুম” মূলত রাগ কমানোর জন্য তৈরি। এখানে অংশগ্রহণকারীদের আগে সুরক্ষা পোশাক ও হেলমেট পরানো হয়। এরপর তাদের একটি নির্দিষ্ট কক্ষে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, যেখানে ভাঙচুরের জন্য রাখা থাকে পুরোনো ইলেকট্রনিকস ও আসবাবপত্র। চাইলে কষ্টের কারণ কাচের প্লেটের ওপর লিখে ভেঙে ফেলারও সুযোগ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন

ওয়ার্কশপের আয়োজক জেনিফার লে গুয়েন জানান, এই ধারণা এসেছে জাপান ও উত্তর আমেরিকা থেকে। সেখানে বহু আগ থেকেই এমন “রাগ ঝাড়ার ঘর” জনপ্রিয়। কারণ, অনেক মানুষ নিজের ভেতরের চাপ, ক্ষোভ কিংবা হতাশা প্রকাশ করতে পারেন না। কিন্তু এখানে এসে ভাঙচুরের মাধ্যমে তারা এক ধরনের মানসিক স্বস্তি পান।

তবে শুধু ভাঙচুরই নয়, এই কর্মশালায় রাখা হয়েছে রিলাক্সেশন থেরাপির ব্যবস্থাও। অর্থাৎ রাগ ঝেড়ে ফেলার পর অংশগ্রহণকারীদের শান্ত করার জন্য থাকে আলাদা সেশনও।

এদিকে অংশগ্রহণকারীদের কেউ কেউ জানিয়েছেন, শুরুতে তারা এখানে আসার পর রাগই কমে গিয়েছিল দ্বিধা-দ্বন্দ্বে। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই মনে জমে থাকা রাগ বেরিয়ে আসতে থাকে। এরপর সামনে যা কিছু পায় তাই বারবার ছুড়ে মারতে ইচ্ছে করে।

যদিও এই ওয়ার্কশপে এসে অনেকের মানসিক চাপ কমেছে। তবে কেউ কেউ এর বিরোধীতাও করেছে। তাদের মতে, রাগ কমাতে ভাঙচুর নাকি এটি মানুষকে আরও আক্রমণাত্মক করে তোলে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!