images

বিশেষ প্রতিবেদন

'আমি না থাকলে ইসরায়েলও থাকত না' নেতানিয়াহুকেও ট্রাম্পের বার্তা! 

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ , ১০:১৯ পিএম

Failed to load the video

ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্ধু হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে গিয়ে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, তিনি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের মিত্র বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকেও দিলেন নতুন বার্তা। বিশেষ করে লেবানন ইস্যুতে তাকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট।
 
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থামানোর আলোচনা যখন পৌঁছেছে নতুন এক মোড়ে, ঠিক তখনই তারা এমন মন্তব্য নতুন করে জন্ম দিয়েছে বিতর্কের। শুধু নিজের ভূমিকার প্রশংসাই করেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প, বরং তার এই দাবির কথা শুনে অনেকেই হয়েছেন বিস্মিত। সংবাদ দ্যা টেলিগ্রাফ এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। 

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি না থাকলে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনই নয়, ইসরায়েলের অস্তিত্বও টিকে থাকত না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতে এমন কিছু সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছিলেন, যেগুলো নেওয়ার সাহস অন্য কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট দেখাননি। তাই তাঁর বিশ্বাস, বর্তমান অবস্থায় ইসরায়েলের টিকে থাকার পেছনেও রয়েছে তাঁর বড় ভূমিকা। 

আরও পড়ুন
2

পানির জন্য হাহাকারের মাঝেই স্রষ্টার এক বিশেষ রহমতের দেখা মিলল গাজায় 

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি সেভেন সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুবই ভালো। তবে একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে করতে হবে আরও দায়িত্বশীল আচরণ।

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পেছনে বড় কারণ লেবানন ও হিজবুল্লাহকে ঘিরে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান। যা নিয়ে বেশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন এই প্রসিডেন্ট। তিনি বলেন, “লেবানন ও হেজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের আচরণ আমার ভালো লাগেনি। তাদের আরও দ্রুত কাজটি শেষ করা উচিত ছিল। বিষয়টি অনেক বেশি দীর্ঘায়িত হয়েছে। এমন হলে ইরানের সঙ্গে বড় ধরনের সমঝোতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।” তাই তিনি পরোক্ষভাবে নেতানিয়াহুকে সতর্ক করে দিয়েছেন বলেই ধারণা সমর বিশ্লেষকদের।

এদিকে এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা নিয়ে ঐকমত্যের খবর সামনে এসেছে। তবে সেই সমঝোতা নিয়ে ইসরায়েলের ভেতরেই দেখা দিয়েছে মতবিরোধ। দেশটির অনেক নেতা ও মন্ত্রী প্রকাশ্যে করছেন এর সমালোচনা। তাঁদের আশঙ্কা, এই সমঝোতা ইরানের ওপর চাপ কমিয়ে দিতে পারে এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য তৈরি করতে পারে নতুন ঝুঁকি।

আরটিভি/এআর