বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১১:৫৯ এএম
সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে ক্রিকেট মাঠেও। যার খেসারত দিতে হচ্ছে আইসিসিকে। প্রতিটি বৈশ্বিক আসরেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ভেন্যু নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়তে হচ্ছে। তাই বিকল্প পথে হাটতে যাচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (আইসিসি)।
আসন্ন ২০২৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছে আইসিসি। এই প্রতিবেদন এই প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়ার সংবাদপত্র ‘দ্য এজ’।
২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানে গিয়ে খেলতে রাজি হয়নি ভারত। এরপরই ২০২৭ পর্যন্ত আইসিসির সঙ্গে একটি চুক্তি করে ভারত-পাকিস্তান। যেখানে বহুদেশীয় প্রতিযোগিতায় কোনও দেশই একে অপরের দেশে গিয়ে খেলবে না। কিন্তু পরিস্থিতি যে ভাবে জটিল হচ্ছে, তাতে ২০২৭ সালের পরেও এই ব্যবস্থাতেই দু’দলের খেলা হবে।
তাই ভারতকে থেকে আসন্ন দুটি আসর সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছে আইসিসি। কারণ, দুই দলের যাতায়াতের সমস্যা। শুধু এই ম্যাচটির জন্য দু’দলকে অতিরিক্ত যাতায়াত করতে হচ্ছে। নতুন করে হোটেলের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। এসবের ফলে খরচও বাড়ছে।
অস্ট্রেলিয়ার পত্রিকাটি জানিয়েছে, যদি ভারত থেকে এই দু’টি বড় প্রতিযোগিতা সরে যায়, তাহলে আয়োজনের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়াই। যারা এর আগে ২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করেছিল।
গত রোববারই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্সে ম্যাচ খেলার জন্য ভারতীয় দলকে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় যেতে হয়েছিল। একই রকমভাবে এশিয়া কাপের সময় পাকিস্তান পুরো টুর্নামেন্টে নিজেদের দেশে খেললেও ভারতের বিপক্ষে-ম্যাচ খেলার জন্য তাদের কলম্বোয় যেতে হয়েছিল।
এর মধ্যে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশও। তারাও এবার নিরপেক্ষ দেশে খেলতে চেয়েছিল; কিন্তু তাদের সেই দবি বাতিল করে দেয় আইসিসি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের এবারের বিশ্বকাপে খেলাই হচ্ছে না।
আইসিসি এই জটিলতা চাইছে না। ফলে তারা ভারতে টুর্নামেন্ট আয়োজন না করারই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তবে, ভারতে খেলা হলে নিঃসন্দেহে আইসিসির কোষাগারে বাড়তি অর্থ যোগ হবে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, আইসিসি চাইলেও ভারত থেকে সব প্রতিযোগিতা সরিয়ে নিতে পারবে না।
আরটিভি/এসআর