রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬ , ১১:৪৯ এএম
ইন্টার মায়ামির নতুন স্টেডিয়াম ন্যুয়ের অভিষেক ম্যাচে অস্টিন এফসির বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল মেসি-সুয়ারেজরা। এই ম্যাচে নিজের নামাঙ্কিত ‘লিও মেসি স্ট্যান্ড’— এর সামনে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন মেসি। তারপরও জয় তুলতে পারেনি ইন্টার মায়ামি।
ঘরের মাঠে অস্টিন এফসির বিপক্ষে এমএলএসের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ২-২ সমতায়। এদিন ৬ মিনিটেই সফরকারীদের এগিয়ে দেন অস্টিন ডিফেন্ডার গুইলহার্মে বিরোর। এর চার মিনিট পরই দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে মায়ামিকে সমতায় ফেরান মেসি।
এটি তার ক্যারিয়ারের ৯০৩ নম্বর গোল। সমতায় ফেরার পর মায়ামি বল দখলে আধিপত্য দেখালেও অস্টিনের রক্ষণভাগ ভাঙা কঠিন হয়ে পড়েছিল। উল্টো ৫৩ মিনিটে পাল্টা–আক্রমণে জেইডেন নেলসনের গোলে আবারও লিড নেয় অস্টিন।
ম্যাচ যখন হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম, তখন ৭৩ মিনিটে অভিজ্ঞ লুইস সুয়ারেজকে মাঠে নামান কোচ হাভিয়ের মাচেরানো। মাঠে নামার ৮ মিনিট পরে গোল করে দলের হার বাঁচান এই উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার। মেসির নেওয়া কর্নার থেকে জর্মান বার্টারেম হেড করার পর খুব কাছ থেকে বল জালে জড়ান সুয়ারেজ।
ভাগ্য সহায় হলে ম্যাচের শেষ দিকে মেসি দারুণ একটা সমাপ্তি টানতে পারতেন। কিন্তু ৯০ মিনিটে তার ট্রেডমার্ক ফ্রি-কিকটি পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে সুয়ারেজ জালে বলে জড়িয়েছিলেন ঠিকই, তবে অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে সেটি।
এই ড্রয়ের ফলে এমএলএসে টানা পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত রইল ইন্টার মায়ামি। অন্যদিকে চার ম্যাচ জয়হীন থাকল অস্টিন। গত মৌসুমে এমএলএস কাপ জেতার পর এটিই ছিল মায়ামির প্রথম হোম ম্যাচ।
এ ছাড়া দীর্ঘ ছয় বছর ফোর্ট লডারডেলকে নিজেদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহারের পর এবারই প্রথম নিজেদের শহরের নামে গড়া স্টেডিয়ামে খেলার সুযোগ পেল তারা।
২৬ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামটি উদ্বোধন করেন ক্লাবের সহমালিক ডেভিড বেকহাম ও জর্জ মাস। খেলা শুরুর আগে আবেগপ্রবণ হয়ে বেকহাম বলেন, মায়ামিতে এই স্টেডিয়াম চালু করার জন্য বছরের পর বছর চেষ্টা করার পর আজ এটি বাস্তবে রূপ নিতে দেখাটা আমার জন্য বিশেষ কিছু।
তিনি বলেন, ২০ বছর আগে এমএলএসে আসার সময় অনেক কথা দিয়েছিলাম। ১৩ বছর আগে মায়ামিতে আসার সময়ও সেই প্রতিশ্রুতির কথা শুনিয়েছিলাম। আজ আমাদের সেই স্বপ্ন সত্যি হলো।
আগামী সপ্তাহে নিজেদের এই নতুন মাঠে নিউইয়র্ক রেড বুলসের মুখোমুখি হবে মায়ামি।
আরটিভি/এসআর