বুধবার, ০৬ মে ২০২৬ , ১২:৫৩ পিএম
ফুটবল বিশ্বকাপ শুধু মাঠের খেলা নয়, এটি বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষের আবেগ ও সংস্কৃতির মিলনমেলা। সেই আবেগের বড় অংশ জুড়ে থাকে বিশ্বকাপের গান, যা প্রতিটি আসরেই ফুটবলপ্রেমীদের মনে আলাদা জায়গা করে নেয়।
২০১০ সালের ‘ওয়াকা ওয়াকা’ বা ১৯৯৮ সালের ‘কাপ অব লাইফ’এর মতো গানগুলো আজও ফুটবল ইতিহাসে আইকনিক হয়ে আছে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এবারও শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ থিম সং প্রকাশের কাজ। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য এই বিশ্বকাপে তিন দেশের সংস্কৃতির মিশেলে ফিফা এবার একটি অ্যালবাম প্রকাশের পরিকল্পনা করেছে।
এই অ্যালবামের প্রথম গান হিসেবে মুক্তি পেয়েছে ‘লাইটার’। গানটি গেয়েছেন মার্কিন র্যাপার জেলি রোল এবং মেক্সিকান গায়ক কারিন লিওন। পপ ও কান্ট্রি মিউজিকের সংমিশ্রণে তৈরি এই গানে মেক্সিকান র্যাপেরও প্রভাব রয়েছে। তবে মুক্তির পর গানটি প্রত্যাশিত সাড়া ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে বলে সমালোচনা হচ্ছে।
ইউটিউবে দর্শকদের প্রতিক্রিয়ায় বেশিরভাগই নেতিবাচক মন্তব্য দেখা গেছে। অনেকেই গানটির সুর ও কম্পোজিশনকে দুর্বল বলে উল্লেখ করেছেন। কেউ কেউ এমন মন্তব্যও করেছেন যে, এআই দিয়ে বানালেও হয়তো এর চেয়ে ভালো হতো।
অন্যদিকে, অ্যালবামের দ্বিতীয় গান তুলনামূলকভাবে বেশি গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে, বিশেষ করে মেক্সিকান শ্রোতাদের মধ্যে। এতে মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী কুম্বিয়া সঙ্গীতের সঙ্গে আধুনিক পপের মিশ্রণ ঘটেছে, যা ফুটবল ও সংস্কৃতির সংযোগকে তুলে ধরেছে।
এছাড়া, ক্যারিবীয় ও জ্যামাইকান প্রভাব নিয়ে আরেকটি গান তৈরি করেছেন ড্যাডি ইয়াঙ্কি ও শেনসিয়া। যদিও গানটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হয়নি, অনলাইনে ইতোমধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
এদিকে কোকা-কোলা প্রতিবারের মতো এবারও বিশ্বকাপকে ঘিরে নিজস্ব গান প্রকাশ করেছে।
সব মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের সংগীত অ্যালবাম নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা ও বিতর্ক দুটোই। কোন গান শেষ পর্যন্ত ফুটবলপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নেয়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন।
আরটিভি/এসকে