শনিবার, ০৯ মে ২০২৬ , ০৮:২৯ এএম
সময়টা ভালো যাচ্ছে না রিয়াল মাদ্রিদের, এর মাঝেই ড্রেসিং রুমে মারামারিতে জড়িয়েছেন ফেদে ভালভার্দে ও অরেলিন চুয়ামেনি। তবে দলের শৃঙ্খলা নিয়ে কঠোর স্প্যানিশ জায়ান্টরা। তাই দুই খেলোয়াড়কেই কঠিন শাস্তি দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ কতৃপক্ষ।
জানা গেছে, তাদের প্রত্যেককে ৫ লাখ ইউরো অর্থদণ্ড দিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ লাখ ইউরো মানে ৭ কোটি টাকারও বেশি। রিয়াল মাদ্রিদ মারামারির ঘটনায় তদন্ত করে শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তদন্তে ভালভার্দে ও চুয়ামেনি দুজনই উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার (৮ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় উভয় খেলোয়াড় দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং একে অপরের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। ক্লাবের উপযুক্ত শাস্তি মেনে নিতে রাজি হওয়ার পর তাদের ৫ লাখ ইউরো করে জরিমানার সিদ্ধান্ত হয়।
আর বলা হয়েছে, এই ঘটনার জন্য তারা সম্পূর্ণ অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন এবং একে অপরের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। ক্লাব, সতীর্থ খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং সমর্থকদের কাছেও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। উভয়েই ক্লাব যে শাস্তি উপযুক্ত মনে করবে তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত বলে জানানোর পর তাদের প্রত্যেককে পাঁচ লাখ ইউরো অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটল।
ভালভার্দে ও চুয়ামেনির বিরোধে জড়ানোর ঘটনা গত ৬ এপ্রিলের। অনুশীলন থেকে শুরু হওয়া বিরোধ হাতাহাতির পর্যায়ে চলে যায়। দুই খেলোয়াড় মুখোমুখি দাঁড়িয়ে একে অপরকে ধাক্কা দেন এবং তীব্র তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে ড্রেসিংরুমেও সেই ঝগড়া চলতে থাকে। ভ্যালদেবেবাসে এই অস্বস্তিকর ঘটনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরে অন্যরা তাদের শান্ত করেন। ৭ এপ্রিল ফের ঝগড়া বাধে তাদের।
মার্কা জানায়, সকালে ভালভার্দে চুয়ামেনির সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর পুরো অনুশীলনজুড়ে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করে। ভালভার্দের পক্ষ থেকে কঠোর ট্যাকল চলছিল, যা শেষ পর্যন্ত ফরাসি মিডফিল্ডার চুয়ামেনিকে ক্ষিপ্ত করে তোলে।
ট্রেনিং শেষে ড্রেসিংরুমে তাদের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ বাধে। ওই সময়ই ভালভার্দে চুয়ামেনির দ্বারা আঘাত পান ও তার শরীর কেটে যায়। যদিও বলা হচ্ছে চুয়ামেনি ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করেননি।
ঘটনার গুরুত্ব এতটাই বেশি ছিল যে সংঘর্ষের কয়েক মিনিটের মধ্যেই ড্রেসিংরুমে জরুরি বৈঠক ডাকে রিয়াল মাদ্রিদ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হোসে অ্যাঞ্জেল সানচেজ। তিনিই দুই খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেন।
আরটিভি/এসআর