images

খেলা / ফুটবল

তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে চায় না ইংল্যান্ড-ফ্রান্স!

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ , ১২:০৯ পিএম

সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে ফ্রান্সের। অন্যদিকে ৬০ দশক পর ফাইনাল খেলার খুব কাছে থেকেও হতাশা নিয়ে ফিরতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে।

সেই ক্ষত নিয়েই শনিবার (১৮ জুলাই) মায়ামিতে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামতে যাচ্ছে হ্যারি কেইন-এমবাপ্পেরা। তবে ম্যাচ না খেলার পক্ষ্যে অবস্থান নিয়েছে ফ্রান্সের বিদায়ী কোচ দিদিয়ের দেশম ও ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল।

ম্যাচপূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে দেশম বলেন, অবশ্যই এটি ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়। ইংল্যান্ডও এই ম্যাচটি খেলতে চায় না, আর আমরাও চাই না। কিন্তু বাস্তবতা হলো আমাদের এখন এখানেই লড়তে হবে।

আরও পড়ুন
Lpy

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে দাবানলের ধোঁয়া নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় ট্রাম্প প্রশাসন!

দেশের স্বার্থে এই ম্যাচ জিততে চান বলে জানিয়েছেন দেশম। তার ভাষ্য, ম্যাচটি নিয়ে আমার একটি বড় দায়িত্ব রয়েছে। এটি কোনো প্রীতি ম্যাচ নয়, এটি বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। আমি, খেলোয়াড়রা এবং পুরো স্টাফরা মিলে এই শেষ লক্ষ্যটিতে পৌঁছাতে বাধ্য। 

অন্যদিকে আর্জেন্টিনার কাছে সেমিফাইনালে হৃদয়বিদারক পরাজয়ের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের ফাইনালে উঠার স্বপ্ন ভেঙে যায়। ফলে এখন তাদের মায়ামিতে অনুষ্ঠিতব্য তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে হবে, যেটিকে টুখেল একটি ‘অনাকাঙ্ক্ষিত দায়িত্ব’ বলে মনে করেন।

জার্মান এই কোচের মতে, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো ম্যাচে মানসিক ও শারীরিকভাবে সর্বোচ্চ শক্তি উজাড় করে দেওয়ার পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত রাখা প্রায় অসম্ভব।

সংবাদ সম্মেলনে টুখেল বলেন, আমাদের কোনো খেলোয়াড়ই এই ম্যাচ খেলতে চায় না, ফ্রান্সের খেলোয়াড়রাও চায় না। তারা সবাই ফাইনাল খেলতে চেয়েছিল। আমরা সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। সবাই বিশ্বকাপ জিততেই খেলতে নামে, কিন্তু বাস্তবতা এটাই। আমাদের ফ্রান্সের তুলনায় এক দিন কম বিশ্রামের সময় রয়েছে। তবুও আমরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে ম্যাচটি খেলব।

আরটিভি/এসআর