লেখালেখি সাহিত্য পুরস্কার জাতীয় কমিটি ২০২৫ সালের জন্য কবি ড. মাহবুব হাসান ও ২০২৬ সালের জন্য কবি আবদুল হাই শিকদারকে পুরস্কারে জন্য নির্বাচিত করেছে। শিল্প সাহিত্য অঙ্গনে অনন্য সফলতার জন্য তাদের এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
বোরবার (১ মার্চ) দুপুর ২টায় রাজধানীর রোকেয়া সরণীর ৮২২/২ টাওয়ারে জাতীয় কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। দুই বছরের পুরস্কার শিগগিরই একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যথাক্রমে কবি ড. মাহবুব হাসান ও কবি আবদুল হাই শিকদারকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হবে।
ড. মাহবুব হাসান একজন বহুমাত্রিক লেখক। তার জন্ম ১৯৫৪ সালের ২৮ এপ্রিল, টাঙ্গাইলে। পড়াশোনো করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। পিএইচ.ডি করেছেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের কবিতা নিয়ে। তিনি কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, গবেষক, চিন্তক ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক। কবিতায় তিনি উত্তর-ঔপনিবেশিক উত্তর-আধুনিক চেতনার মাধ্যমে নতুন ঐতিহ্যের পথ নির্মাণ করে চলেছেন। সে কারণেই তাকে কবিতায় পুরস্কার দেওয়া হলো।
কবি আবদুল হাই শিকদার ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারিতে কুডিগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমারর নদীর তীরে দক্ষিণ ছাট গোপালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৯৭৯ সালে বাংলায় স্নাতক (সম্মান) সম্পন্ন করেন। তারপর দীর্ঘ বিরতির পর শান্ত মরিয়ম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৬ সালে বাংলা সাহিত্যে এম.এ ডিগ্রী অর্জন করেন। সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় কাজ করেন। বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানী সংবাদ মাধ্যম দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক। তিনি বিশিষ্ট গবেষক। নজরুল নিয়ে তার অনেক বই আছে যা তাকে কবির পাশাপাশি একজন অগ্রগণ্য গবেষক হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে। তিনি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বিএনপির চেয়ার পারসনের তিনি উপদেষ্টা।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে থেকে লেখালেখি সাহিত্য পুরস্কার চালু করা হয় । কবি আল মাহমুদ, কবি আল মুজাহিদী, কবি আসাদ চৌধুরী ও ভাষা সৈনিক অধ্যাপক আবদুল গফুর লেখালেখি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
আরটিভি/এমএ




