ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

‘একাত্তরের ইতিকথা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৮ পিএম
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত ‘একাত্তরের ইতিকথা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সচিব ওয়ালিউল ইসলাম রচিত ‘একাত্তরের ইতিকথা’ বইয়ের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ ও মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানির (এসএমসি) প্রধান কার্যালয়ে এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়।

দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এটি প্রকাশ করেছে মাওলা ব্রাদার্স।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ কেবল একটি রাজনৈতিক সংগ্রাম নয়, বরং এটি মানুষের চেতনা, চিন্তা ও জীবনবোধের একটি বড় পরিবর্তনের সময়। একাত্তরের ইতিকথা- গ্রন্থটি স্বাধীনতা সংগ্রামের বাস্তব অভিজ্ঞতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যা ইতিহাসকে আরও গভীরভাবে বুঝতে সহায়তা করবে।’

বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ডা. আবুল কাশেম চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, ‘এ ধরনের আত্মকথনধর্মী গ্রন্থ ইতিহাসচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। ওয়ালিউল ইসলামের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা বইটিকে আরও সমৃদ্ধ ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।’

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ও গবেষক মফিদুল হক বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের দলিলভিত্তিক ইতিহাস সংরক্ষণে এ ধরনের গ্রন্থ অপরিহার্য। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক বাস্তবতা এবং সমাজ-রাজনীতির সমন্বয়ে লেখা এই বইটি গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দিতে এ ধরনের বই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, ‘একাত্তরের ইতিকথা’ শুধুমাত্র স্মৃতিচারণ নয়, বরং এটি স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি বাস্তব চিত্রের প্রতিফলন।’

নারী অধিকারকর্মী শিরিন পারভীন হক বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি রাজনৈতিক সংগ্রাম ছিল না, এটি ছিল একটি মানবিক ও সামাজিক মুক্তির লড়াই। একাত্তরের ইতিকথা গ্রন্থটি সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

সাবেক সচিব এবং এসএমসি ও এসএমসি ইএল-এর সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘একাত্তরের ইতিকথা- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য ও গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, যা ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়কে নতুনভাবে অনুধাবনে সহায়ক হবে’।

একই সঙ্গে তিনি লেখকের দীর্ঘ কর্মজীবন, মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন

সাবেক সচিব এবং এসএমসি ও এসএমসি ইএল-এর সাবেক চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং প্রশাসনিক অন্তর্দৃষ্টি সমন্বয়ে রচিত- একাত্তরের ইতিকথা গ্রন্থে ১৯৭১ সালের উত্তাল সময়, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি অনন্য চিত্র উঠে এসেছে।’

এসএমসির সদস্য ডা. খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের গ্রন্থ শুধু অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণ করে না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, মূল্যবোধ এবং ইতিহাস বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‘একাত্তরের ইতিকথা’ গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর ঘটনা এবং সমাজ-রাজনীতিকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে সহায়তা করবে।’

লেখক ওয়ালিউল ইসলাম তার বক্তব্যে জানান, এই গ্রন্থটি মূলত তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, স্মৃতি এবং সময়ের বাস্তবতার প্রতিফলন।

তিনি উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময়কার প্রশাসনিক বাস্তবতা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রামের চিত্র তিনি এই বইয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এসএমসি এবং এসএমসি ইএল-এর চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ, এসএমসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তছলিম উদ্দিন খান, এসএমসি ইএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েফ নাসির, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং এসএমসি এবং এসএমসি ইএল-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গ্রন্থ পরিচিতি, আলোচনা, বই থেকে অংশবিশেষ পাঠ এবং ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

উল্লেখ্য, গ্রন্থকার সাবেক সচিব ওয়ালিউল ইসলাম দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ ও নানা পর্যায়ের রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ সাহিত্যিক পেলেন দোনাগাজী পদক
চাঁদপুরের সংগঠন ‘চর্যাপদ একাডেমি সাহিত্য উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখায় সাত সাহিত্যিককে দোনাগাজী পদক দেওয়া হয়।
৭ সাহিত্যিক পেলেন দোনাগাজী পদক
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই
কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রকাশক কাদের বাবু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।  তিনি রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। আমীরুল ইসলামের বড় ভাই কামাল আহমেদ ও ‘ছোটদের সময়’ সম্পাদক শিশুসাহিত্যিক মামুন সারওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ১৯৬৪ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন আমীরুল ইসলাম। শিশুসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। আমীরুল ইসলামের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। তার প্রকাশিত সব বইই শিশুসাহিত্যের। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে শিশুদের জন্য গল্প, ছড়া ও নানা ধরনের সৃজনশীল লেখা লিখেছেন তিনি। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন আমীরুল ইসলাম। তিনি চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আরটিভি/টিআর
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই
লাইফ সাপোর্টে শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম
বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।
আমীরুল ইসলাম-ছবি: সংগৃহীত
‘নজরুলের চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকের হৃদয়েও পৌঁছে দিতে হবে’
অনুবাদক ও শিক্ষক আলমগীর মোহাম্মদ বলেছেন, নজরুলকে কেবল বাঙালির কবি হিসেবে বন্দি না রেখে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার যে সুযোগ কবি নজরুল ইন্সটিটিউটের ২০২৫ সালের কমিটির মাধ্যমে তৈরি হয়েছে, তা যেন বিন্দুমাত্র ম্লান না হয়। অনুবাদক হিসেবে আমাদের কাজ হলো নজরুলের সেই অম্লান চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকদের হৃদয়েও জ্বেলে দেওয়া। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে বাংলা একাডেমিতে সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আলমগীর বলেন, কবিতা, গান, উপন্যাস, ছোটোগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, চিঠিপত্র এবং অভিভাষণ—সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় নজরুল এক স্বতন্ত্র ও অবিস্মরণীয় স্বাক্ষর রেখে গেছেন। সাম্য, মানবতা, বিদ্রোহ ও প্রেমের কবি, এবং তার এই কালজয়ী সাহিত্যকর্মকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেওয়ার প্রধান মাধ্যম হলো-এর মানসম্মত ও বস্তুনিষ্ঠ অনুবাদ। দুর্ভাগ্যবশত, নজরুলের সমসাময়িক অনেক বিশ্বসাহিত্যিক যেভাবে বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন, নজরুল সেখানে অনেকটাই উপেক্ষিত রয়ে গেছেন। তার সাহিত্যের যে গভীরতা ও বৈশ্বিক আবেদন, সেই তুলনায় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার পরিচিতি এখনো সীমিত। আরও পড়ুন মনসুর আজিজের অষ্টাদশপদী কবিতা: বাংলা কবিতার নতুন সম্ভাবনা একাডেমির সহপরিচালক ড. মাহবুবা রহমান সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা। নজরুল সাহিত্য অনুবাদের অভিজ্ঞতা ও অনুধ্যান শীর্ষক বক্তৃতা রাখেন অনুবাদক ও শিক্ষক আলমগীর মোহাম্মদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাহিত্যিক ও অনুবাদক রাজু আলাউদ্দিন এবং নজরুল গবেষক ও অনুবাদক ইরশাদ আহমেদ শাহীন। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, নজরুল আমাদের জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সাহিত্য বাংলা ভাষার গর্বই শুধু নয় বরং একইসঙ্গে বিশ্বসভ্যতার সম্পদ। তার সাহিত্যকর্মকে অনুবাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আরও পড়ুন সাহিত্যদেশ: রুচিশীল সাহিত্যচর্চার আশাব্যঞ্জক যাত্রা সভাপ্রধানের বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, নজরুল-বর্ষে আমরা নজরুল বিষয়ক গবেষণা ও অনুবাদকর্মের দিকে ফিরে তাকাতে চাই। ভবিষ্যতে নজরুল-রচনা অনুবাদের পরিধি গুণে-মানে আরও বিস্তৃত হবে এবং বিশ্বপাঠক নজরুলের সাহিত্যকর্মের নিবিড় পরিচয় লাভ করবেন। পরে অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী টিটো মুন্সী। নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী ফেরদৌস আরা, শহীদ কবির পলাশ ও শাহীনুর রেজা। আরটিভি/এমএম
‘নজরুলের চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকের হৃদয়েও পৌঁছে দিতে হবে’
সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকীতে ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’
প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার রচনা ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’ নিয়ে শ্রুতি পাঠের আয়োজন করেছে ধ্রুপদী আর্ট সেন্টার। শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। ৪৫ মিনিটব্যাপী শ্রুতি পাঠটির নির্দেশনায় থাকবেন সামিউন জাহান দোলা। ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’ সেলিম আল দীনের প্রেমভাবনার এক অন্তরঙ্গ ও কাব্যিক অনুধ্যান। রচনাটিতে প্রেমকে শুধু প্রণয় কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি; বরং মানুষ, প্রকৃতি, স্মৃতি ও জগতের সঙ্গে মানুষের চিরন্তন সংযোগের গভীর অনুভব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আরও পড়ুন কারিনার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন, যা জানা গেল আয়োজকদের ভাষ্য, রচনাটিতে প্রতিটি সম্পর্ক ও বন্ধন কীভাবে মানুষের মনে চিহ্ন রেখে যায়, ভাঙন কীভাবে কখনো কখনো নতুন সংযোগের আরেক রূপ হয়ে ওঠে এবং প্রেম কীভাবে আত্মার সীমা অতিক্রম করেও টিকে থাকে—সেসব অনুভূতিরই কাব্যিক প্রকাশ ঘটেছে। সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ শ্রুতি পাঠের মধ্য দিয়ে তার সাহিত্যকর্মের একটি বিশেষ দিক দর্শক-শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। শ্রুতি পাঠের পাশাপাশি আয়োজনে সেলিম আল দীনকে নিয়ে স্মৃতিচারণামূলক আলোচনায় অংশ নেবেন নির্মাতা ও অভিনেতা আফজাল হোসেন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. ইউসুফ হাসান অর্ক, মানবাধিকার নাট্যকর্মী জাহিদুল আলম হিটো এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী শুসমিন আফসানা। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে ধ্রুপদী আর্ট সেন্টার। এতে সহযোগিতা করছে ফেনীর সেলিম আল দীন কেন্দ্র। আরটিভি/জেএমএ
সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকীতে ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’
আরও পড়ুন
জ্বালানি সংকটের প্রতিবাদের লংমার্চে প্রায় ১ লক্ষ লিটার জ্বালানি তেল পুড়ছে: ইশরাক
অ্যাকাউন্টস বিভাগে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসহ চাকরি দিচ্ছে এসএমসি
বর্তমান সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় বাংলাদেশ গড়বে: আযম খান
চাকরি দিচ্ছে এসএমসি, থাকছে বিভিন্ন সুবিধা