নরসিংদীতে একদিনে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে জেলার বেলাব উপজেলা থেকে উদ্ধার হয়েছে রিয়াজুল ইসলাম আপন মিয়া (২৪) নামে এক তরুণের মরদেহ। মাধবদী থেকে উদ্ধার হয়েছে সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ। এছাড়া, রায়পুরায় মিলেছে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের মরদেহ।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল থেকে বেলা ১১টার মধ্যে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
এদিন বেলা ১১টার দিকে বেলাব-শিবপুর সড়কের পাশে একটি ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয় আপন মিয়ার মরদেহ। তিনি উপজেলার বাজনাব গ্রামের মোস্তু মিয়ার ছেলে। ট্রলি চালানোর পাশাপাশি তিনি কাঠমিস্ত্রির কাজও করতেন বলে জানা গেছে।
পরিবারের দাবি, আপনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের বাবা মোস্তু মিয়া জানান, বুধবার রাতে এশার নামাজের পর বন্ধুর ডাকে ঘর থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি তার ছেলে। পরে সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে ধানক্ষেতে আপনের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পান তারা।
বেলাব থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. নাসির উদ্দীন বলেন, আপনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
একইদিন সকালে মাধবদী উপজেলার মনোহরপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার হয়েছে সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ। পরিবার নিয়ে মনোহরপুর বোর্ড স্কুল সংলগ্ন ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন তিনি।
নিহত সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার গোপালদী এলাকার রামচন্দ্রদী গ্রামের বাসিন্দা।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, স্বজনরা হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
এছাড়া, রায়পুরার আমিরগঞ্জ রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে একইদিন সকালে। পুলিশের ধারণা, গতকাল রাত আনুমানিক দুইটার দিকে চলন্ত ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নাজিম উদ্দিন জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরটিভি/এমএস




