কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রায় ২৩ মাস পর গোপালগঞ্জের একটি হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আব্দুল্লাহ শিকদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর দারুস সালাম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (১১ জুলাই) র্যাব-৪ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৪-এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এন রায় নিয়তি বলেন, ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর থেকে আব্দুল্লাহ শিকদার কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন। ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কারাগারে সৃষ্ট দাঙ্গা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উদ্ভূত বিশৃঙ্খলার সুযোগে তিনি অন্য বন্দিদের সঙ্গে বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙে তৈরি করা মই ব্যবহার করে কারাগারের সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় জেল কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে কোনাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
তিনি আরও বলেন, কারাগার থেকে পালানোর পর আব্দুল্লাহ শিকদার গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে দারুস সালাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর সুদের পাওনা টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে আব্দুল্লাহ শিকদার ও তার দুই সহযোগী প্রতিবেশী লুৎফর রহমানকে হাতুড়ি ও কুড়াল দিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। বিচার শেষে আদালত আব্দুল্লাহ শিকদারসহ তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে তাদের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এন রায় নিয়তি বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরটিভি/আইএম



