চট্টগ্রাম মহানগরে ৮ গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরই মধ্যে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশের সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
সোমবার দুপুরে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেহ নোমানের আদালতে মামলাটি করেন মাঈনউদ্দিন (৪৫)।
অভিযুক্ত ৮ গোয়েন্দা পুলিশ সদস্য হলেন, চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কেশব চক্রবর্তী, উপ পরিদর্শক সেকান্দর আলী, দেলোয়ার হোসেন, সহকারি উপ পরিদর্শক মাজহারুল ইসলাম, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, কনস্টেবল মো. আরমান হোসেন, মো. খোরশেদ আলম ও উকিল আহমেদ।
মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের পিপি ওসমান গণি আরটিভি অনলাইনকে জানান, মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মামলাটি আদালত গ্রহণ করে পুলিশের সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী মাঈনউদ্দীন মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন, সাইফুল হক নামক এক ব্যক্তির সঙ্গে টাকা পয়সার বিরোধ রয়েছে। সাইফুল হক দীর্ঘদিন যাবৎ বাদীর পাওনা টাকা আত্মসাৎ করার অপচেষ্টা করছিলো। আর এ কারণে বাদীকে ব্ল্যাকমেইলিং করার চেষ্টা করলে ২০১৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর সিএমএম কোর্টে একটি ডায়েরি করেন।
সাইফুল হকের সঙ্গে যোগসাজশে বাদীকে ফাঁসানোর জন্য এ ৮ গোয়েন্দা পুলিশ সদস্য বাদীর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে এসে বলেন আপনার কাছে অবৈধ জিনিস আছে। তারপর বাদী মাঈনউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করে ৩ মাস বাদীকে কারাগারে রাখেন।
বাদীর অভিযোগ এ ৮ পুলিশ সদস্য পরস্পর যোগসাজশে সাইফুল থেকে টাকা নিয়ে তাকে হেনস্তা করেছে। তিন মাসে তার অনেক অর্থের ক্ষতি ও মান সম্মানের ক্ষতি হয়েছে। ভবিষ্যতেও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির আশঙ্কায় মামলাটি দায়ের করেন বাদী।
আরকে/এসজে
