রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে অতিরিক্ত যৌন উত্তেজক ওষুধ সেবনের কারণে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার ( ৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে যৌনপল্লীর এক পতিতার ঘরে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত ব্যক্তির নাম দেলোয়ার হোসেন বাবু (৫০)। তার বাড়ি ঢাকার ওয়ারী এলাকায়। তিনি পেশায় একজন ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী।
-
আরও পড়ুন... ডায়েরিতে মৃত্যুর কারণ লিখে নববধূর আত্মহত্যা
পুলিশ ও যৌনপল্লী সূত্রে জানা গেছে, দেলোয়ার হোসেন বৃহস্পতিবার রাতে যৌনপল্লীতে আসেন। বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করে তিনি ভোর ৪টার দিকে পল্লীর আনোয়ারা বাড়িয়ালির ভাড়াটিয়া জ্যোৎস্না (২৫) নামে এক পতিতার ঘরে প্রবেশ করেন।
এর আগে তিনি স্থানীয় এক দোকান থেকে যৌন উত্তেজক ওষুধ কিনে সেবন করেন। এতে প্রেশার বেড়ে গিয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
ভোর ৫টার দিকে তার অবস্থা বেগতিক হয়ে পড়লে যৌনকর্মী জ্যোৎস্না আশপাশের লোকজনকে ডাকাডাকি করেন। এ সময় কয়েকজন এসে তাকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
গোয়ালন্দ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক চন্দন কুমার জানান, দেলোয়ার হোসেন বাবু নামের ওই ব্যক্তিকে ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তবে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। পরে আমরা বিষয়টি পুলিশকে জানাই।
-
আরও পড়ুন.... বান্ধবীর ধর্ষক ধরতে প্রেম, বিচে গিয়ে ধরা
গোয়ালন্দ থানার এসআই দেওয়ান শামীম আহমেদ জানান, আমরা হাসপাতালে গিয়ে মৃত ব্যক্তির পকেট থেকে তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পরিবারকে খবর দেই। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে মৃতের স্ত্রী,দুই ছেলেমেয়ে ও অন্যান্য স্বজন থানায় আসেন।
দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী জানান, তার স্বামী হার্টের রোগী ছিলেন। তার বুকে রিং পরানো রয়েছে। কিছু দিন আগে অসুস্থ হয়ে সিসিইউতে চার দিন ভর্তি ছিলেন। তবে তিনি মাঝে মধ্যেই ব্যবসায়িক কাজের কথা বলে রাতে বাড়িতে ফিরতেন না।
গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, আমাদের ধারণা অতিরিক্ত যৌন উত্তেজক ওষুধ সেবনের কারণে তিনি মারা গেছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছ।
-
আরও পড়ুন... হাওরে ঘুরতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার নববধূ
এমএন
