ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪

নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় মুশফিকুর রহমান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম
সংগৃহীত ছবি

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া মুশফিকুর রহমান নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই তিনি কসবা ও আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণসংযোগ করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুশফিকুর রহমান ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এই আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে এলাকায় সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। তার সময়কালের কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখনও স্থানীয়দের কাছে আলোচিত বলে জানান এলাকাবাসী।

সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় কসবা–আখাউড়ায় মাদক চোরাচালান দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা। স্থানীয়দের মতে, মুশফিকুর রহমানের সংসদ সদস্য থাকার সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত ছিল এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করা হয়।

এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ বজায় রাখার কারণে তার প্রতি সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে বলে জানান স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, অতীতে তার সময়ে দল-মত নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় ছিল। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যেও নিরাপত্তা ও স্বস্তির পরিবেশ ছিল বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করেন।

গত প্রায় ১৭ বছর ধরে তিনি রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তার প্রতি বিএনপি সমর্থকদের পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষের মধ্যেও একটি গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আসন্ন নির্বাচনে কসবা–আখাউড়া আসনে ভোটার উপস্থিতি ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। এদিকে মুশফিকুর রহমান সমর্থকরা আশা প্রকাশ করছেন, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভোটাররা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেবেন।

আরটিভি/আরএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসি প্রত্যাহার
স্বাধীন হওয়ার পর এই নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ: আসিফ নজরুল
ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে ধানের শীষে ভোট চাইলেন তারেক রহমান
প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ৪১ জন, হারালেন ২৫ জন