আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া মুশফিকুর রহমান নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই তিনি কসবা ও আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণসংযোগ করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুশফিকুর রহমান ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এই আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে এলাকায় সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। তার সময়কালের কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখনও স্থানীয়দের কাছে আলোচিত বলে জানান এলাকাবাসী।
সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় কসবা–আখাউড়ায় মাদক চোরাচালান দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা। স্থানীয়দের মতে, মুশফিকুর রহমানের সংসদ সদস্য থাকার সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত ছিল এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করা হয়।
এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ বজায় রাখার কারণে তার প্রতি সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে বলে জানান স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, অতীতে তার সময়ে দল-মত নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় ছিল। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যেও নিরাপত্তা ও স্বস্তির পরিবেশ ছিল বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করেন।
গত প্রায় ১৭ বছর ধরে তিনি রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তার প্রতি বিএনপি সমর্থকদের পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষের মধ্যেও একটি গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আসন্ন নির্বাচনে কসবা–আখাউড়া আসনে ভোটার উপস্থিতি ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। এদিকে মুশফিকুর রহমান সমর্থকরা আশা প্রকাশ করছেন, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভোটাররা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেবেন।
আরটিভি/আরএ




