আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে নোয়াখালী–৫ (কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তার প্রস্তাবকারী মাহবুবুর রহমান নাহিদ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, বিধি অনুযায়ী হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গৃহীত হয়েছে।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের মেয়ে। তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে স্বামী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের ছেড়ে দেওয়া নোয়াখালী-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ বলেন, আমার স্বামী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এবং আমি ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই এলাকার সেবা করেছি। আওয়ামী লীগের প্রতিহিংসার কারণে ২০১৭ সাল থেকে আমি আমার বাড়ি হারিয়েছি। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে আশাহত হয়েছি। তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলাম। কয়েকদিন আগে গুলশানে বিএনপি কার্যালয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে খোলা শোক বইয়ে স্বাক্ষর করি। এরপর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। ওই সাক্ষাতে নোয়াখালী-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান তারেক রহমান। দলের চেয়ারপারসন ও নতুন নেতৃত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে নোয়াখালী-৫ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
আরটিভি/কেএইচ




