ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে: হাসনাত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

এনসিপির মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যসেবা নিয়োজিত জনবল সংকট রয়েছে। আমরা এগুলো নিয়ে কাজ করছি। ১৭ বছর পরে আজকে স্বাস্থ্য কমিটির মিটিং হয়েছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন এবং স্বাস্থ্য কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ২০০৯ সালের লাস্ট এই মিটিংটা হয়েছিল। দায়িত্ব নেওয়ার পর আজকে এটা আমার প্রথম মিটিং। আমরা প্রত্যেক মাসের প্রথম সপ্তাহে এই মিটিং করব।

তিনি বলেন, হাসপাতালে কিছু অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেগুলো উত্তরণে কাজ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হসপিটালে যান্ত্রিক কিছু সমস্যা রয়েছে। ইসিজি মেশিন, ডিজিটাল এক্স-রে এরকম নানাবিধ সরঞ্জামের লিমিটেশন আছে।

সেগুলো উত্তরণের জন্য আমাদের কিছু প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করি খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এই মেশিন গুলোর ব্যবস্থা করতে পারব। এখানে রোগী এবং ডাক্তারদের মুখোমুখি অবস্থা বিরাজ করছে। এখানে আরও চিকিৎসক এবং তাদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এই হাসপাতালটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হওয়া সত্ত্বেও প্রতিদিন শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন।

আমাদের ডাক্তাররা তাদের কিন্তু সেবাবঞ্চিত করছেন না। আবার এখানে জুনিয়র কনসালটেন্ট থাকার কথা ছিল ১০ জন কিন্তু আছে ৯ জন। তার মধ্যে চারজন অন্যান্য সেক্টরে অ্যাটাচমেন্ট। তার মানে জনবল আছে মাত্র পাঁচজন। এখানে প্রত্যেক দিন গড়ে ১ হাজার রোগী দেখতে হয়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে রোগী দেখা হয়েছে ১৫ হাজার।
চিকিৎসকদের কোনোভাবে ফোর্স করে, জোর জবরদস্তি করে বাধ্য করে আমরা চিকিৎসা করাইতে পারব না। ডাক্তারদের পেশাদার তৈরি করতে হবে। আমরা এক মাস সময় নিয়েছি এখানে ডাক্তারদের সমস্যাগুলো; যেমন- বাথরুম নেই তাদের কেউ লাইনে দাঁড়াইতে হয়। তাদের আবার চিকিৎসাও দিতে হয়। একজন ডাক্তারকে প্রতিদিন ২শর বেশি রোগী দেখতে হয়। এটা কোনোভাবেই পসিবল না।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, মানসিকভাবে কনভেনেন্ট সিচুয়েশন না হলে আমরা চিকিৎসা করাতে পারব না। সুতরাং আমার ডাক্তারদের সুযোগ সুবিধা আগে নিশ্চিত করতে হবে। আপনারা এটাও জেনে থাকবেন দেবিদ্বারে ডাক্তারদের রেসিডেন্সিয়াল ফেসিলিটিস নাই। তাদের আমরা থাকার ব্যবস্থা দিচ্ছি না। চিকিৎসার যথাযথ ব্যবস্থা দিচ্ছি না। তাই চিকিৎসা তাদের ওপর চাপাই দিলে তো হবে না। এটা হচ্ছে ডাক্তারদের পক্ষ থেকে অভিযোগ। এই হসপিটালে মাত্র দুইজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী আছে। পুরো হসপিটালে দুইজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী, যেখানে প্রয়োজন ৫ বা তার অধিক। কিভাবে পরিচ্ছন্নতা কর্মী বৃদ্ধি করা যায় সে বিষয়টি নিয়েও আমরা আজকে কথা বলেছি।

অভিযোগ এসেছে, ডাক্তাররা সময়মতো রোগী দেখতে আসেন না। ডাক্তারদের ৮টা থেকে ২টা পর্যন্ত থাকার কথা কিন্তু তারা থাকে না। প্রাইভেট হাসপাতালে রোগী দেখেন। তারা সরকারি হসপিটালে আলাদা ফি নিয়ে রোগী দেখে। এই অভিযোগগুলোও এসেছে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে। এখন আমরা ডাক্তারদের নিশ্চিত করেছি যে তাদের পেশাগত জায়গাটা আমরা দেখব। একই সঙ্গে আপনাদের রোগীদের জায়গাটা দেখতে হবে। ডাক্তাররা নিশ্চিত করেছেন- তারা ৮টা থেকে ২টা পর্যন্ত হাসপাতালে থাকবেন। রোববার নতুন দুইজন ডাক্তার আসবেন। হাসপাতালের ভবনটা পুনর্নির্মাণ করা হবে। চারতলা করা হবে। ছয় কোটি টাকার একটা বরাদ্দ আসছে। এটা হচ্ছে ২০২৯ সালের মধ্যে হবে। তবে আমরা চেষ্টা করব এটাকে যত দ্রুততম সময়ের মধ্যে করা যায়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মহিবুস ছালাম খান, আরএমও কবির হোসেন, ডা. মঞ্জুর, ডা. শাকিল ও ডা. সাদ্দাম।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দুই শতাধিক কৃষকের জমি দখলের চেষ্টা, প্রতিবাদে মানববন্ধন
ভোলার চরফ্যাশনে দুই শতাধিক কৃষকের প্রায় ২৩৪ একর জমি দখলের চেষ্টা এবং স্লুইসগেট খুলে রোপণ করা আমন ধান পানিতে ডুবিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
দুই শতাধিক কৃষকের জমি দখলের চেষ্টা, প্রতিবাদে মানববন্ধন
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। তবে দলিল দুটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও নিবন্ধন আটকে রেখে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি পরে আরও ২০ হাজার টাকা ‘কমিশন’ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন উমেদার রূপণ দাশ। ঘুষ নেওয়ার সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেনের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশ দাবি করেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশেই তারা দুই লাখ টাকা নিয়েছিলেন। জবানবন্দি গ্রহণের পর তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর রেজাউল করিম রনি। অভিযান পরিচালনাকারী ফাঁদ টিমের নেতৃত্বে থাকা দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ২২ সেপ্টেম্বর পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দুই লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় সাব-রেজিস্ট্রারসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তিনি বলেন, পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের জন্য তারা দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। এক ভুক্তভোগী আইনজীবী প্রথমে হটলাইন ১০৬ এবং পরে দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ লিখিত অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কৌশলে হাতেনাতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের পিপি রেজাউল করিম রনি বলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম জানিয়েছেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশে তিনি দুই লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। ওই টাকা উমেদার রূপণ দাশের মাধ্যমে তার কাছে পাঠানো হয়েছিল। সেই অর্থ নেওয়ার সময়ই দুদকের দল কার্যালয়ে অভিযান চালায়। এদিকে উমেদার রূপণ দাশ তার জবানবন্দিতে বলেন, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই কার্যালয়ে কর্মরত। যে দলিল নিবন্ধনের ঘটনায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটির সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। এর বাইরে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। জবানবন্দিতে রূপণ দাশ আরও বলেন, প্রথমে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে আরও ২০ হাজার টাকা কমিশন হিসেবে নেওয়ার কথা ছিল। দলিলদাতাদের একজন উপস্থিত হতে না পারায় ওই টাকা তার বাসায় গিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তার দাবি, দলিলটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও সাবরেজিস্ট্রারের নির্দেশে বাড়তি দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়। আদালত সূত্র জানায়, এ ঘটনায় দুদকের পক্ষ থেকে পরে মামলা করা হয়। বুধবার গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান জবানবন্দি দেননি। অপর দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আরটিভি/এসআর
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে স্থায়ী অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্র থেকে তাকে পাঠানো এক নোটিশে এ বার্তা দেওয়া হয়। এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা সাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, আপনার বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আরও বলা হয়, অভিযোগের তীব্রতা ও গুরুত্ব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী আপনাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। উল্লেখ্য, অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে এনসিপির ফরিদপুরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে (৪০) ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত এনসিপি নেতার মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ নামের ওই কারখানায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। আরটিভি/এসআর
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের প্যাকেট ভেবে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নিয়েছিলেন নুর মোহাম্মদ। পরে সেটি খুলে দেখেন, ভাত নয়-ভেতরে রয়েছে মিষ্টি। প্রচণ্ড ক্ষুধায় সেখান থেকে কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন নুর মোহাম্মদ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর আমলি) আদালতে শুনানি শেষে বিচারক সঞ্জয় পাল তাকে ৫০ টাকা জরিমানা করেন।  এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত এক ব্যক্তি তাকে ১০০ টাকা সহায়তা করেন। সেই অর্থ থেকেই জরিমানার ৫০ টাকা পরিশোধ করে মুক্ত হন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর রেলস্টেশনে ঘটনাটি ঘটে। নড়াইলের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ যশোরের ঝিকরগাছার একটি কাঁচামালের আড়তে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। কাজ শেষে তিনি যশোর রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন।  একপর্যায়ে প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লেও তার কাছে খাবার কেনার টাকা ছিল না। এ সময় খাবারের প্যাকেট মনে করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নেন তিনি। পরে প্যাকেট খুলে মিষ্টি দেখতে পান এবং কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার জিআরও এসআই হেলালুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জরিমানার অর্থ পরিশোধের পর নুর মোহাম্মদকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে আসার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় রায়েশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
আরও পড়ুন
স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন নিয়ে ড্যাবের গোলটেবিল বৈঠক বুধবার
৬০ পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ‘বড় বরাদ্দ’
নগর স্বাস্থ্যসেবায় বড় উদ্যোগ, ১৩ সিটিতে বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা
স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, নাগরিকের অধিকার: ডা. জুবাইদা রহমান