ভোলার দৌলতখান উপজেলায় নিখোঁজের তিনদিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে মো. লিটন (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি নির্মাণাধীন টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত লিটন ওই এলাকার মো. হারুনের ছেলে এবং পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন। তার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১১ মার্চ) রাতে লিটন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে দৌলতখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এ দিকে লিটন নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে প্রতিবেশী প্রবাসী মোসলেহ উদ্দিনের স্ত্রী ইয়াসমিনের ঘর তালাবদ্ধ থাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ওই ঘরের পাশে দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা সেপটিক ট্যাংকে তল্লাশি চালিয়ে লিটনের মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
দৌলতখান ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মো. শাহাদাত হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি নির্মাণাধীন টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে বালুচাপা দেওয়া অবস্থায় লিটনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার পুরো মুখ কাপড় দিয়ে মোড়ানো ছিল।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/এমআই




