ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

​মুন্সীগঞ্জে হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৩

মুন্সীগঞ্জ (পশ্চিম) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৫:১১ পিএম
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল। ছবি: আরটিভি

সারাদেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকলেও মুন্সীগঞ্জ জেলায় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে জেলায় ইতোমধ্যে ৩ জন হামে আক্রান্ত রোগী মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালটিতে বিশেষ আইসোলেশন কক্ষ ও আলাদা বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জে এ পর্যন্ত মোট ৪৭ জন সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ১১ জন এবং এপিডেমিওলজিক্যালি (ইপি-লিঙ্কড) ১৫ জন রোগী পজিটিভ হিসেবে নিশ্চিত হয়েছেন। বর্তমানে ৩ জন রোগী মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও বাকিরা জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. দেওয়ান নিজাম উদ্দিন আহমেদ জানান, হামে আক্রান্ত তিনজন রোগী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তাদের জন্য একটি বিশেষ আইসোলেশন কক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করা যায়।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. কামরুল জমাদ্দার বলেন, হামের চিকিৎসার জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ৫টি বিশেষ বেড ও একটি আইসোলেশন কক্ষ প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও আক্রান্তদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

অন্যদিকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামের সংক্রমণ অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং এটি শিশুদের জন্য মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। আক্রান্তদের নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও মস্তিষ্কের সংক্রমণ (এনসেফালাইটিস) হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

আরও পড়ুন

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. লুৎফুন্নেসা বলেন, হামের নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই। মূলত জটিলতার চিকিৎসা দেওয়া হয়। আক্রান্ত শিশুদের চোখের সুরক্ষায় ভিটামিন-এ এবং পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা জরুরি।

স্বাস্থ্য বিভাগ আরও জানায়, দেশে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামে আক্রান্ত হয়ে, যার মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩২ জন। এ পরিস্থিতিতে হামের সংক্রমণ প্রতিরোধে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশে সাধারণত প্রতি চার বছর অন্তর বিশেষ হামের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হয়। সর্বশেষ ২০২০ সালে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলেও ২০২৪ সালে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারীদের ধর্মঘটের কারণে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় এবং ভিটামিন-এ ও কৃমিনাশক

কর্মসূচি নিয়মিত না থাকায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে, যা হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ অভিভাবকদের শিশুদের সময়মতো টিকা প্রদান এবং হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
মুন্সীগঞ্জে ৩৫৭ পূজামণ্ডপে ‘বড় বরাদ্দ’
মুন্সীগঞ্জে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ টেকনাফের যুবক গ্রেপ্তার
ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা দিতেন সুমি, অতঃপর...
পূজার প্রস্তুতি সভায় গিয়ে জামায়াত নেতা লাঞ্ছিত