ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বেশি দামে তেল বিক্রি কারণ জানতে চাওয়ায় ছাত্রদলের ২ নেতাকে বেধরক পিটুনি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরে একটি দোকানে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির সংবাদ পেয়ে জিজ্ঞাসা করতে গিয়ে ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক ইমন বেদম পিটুনির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ছাত্রদলের আরেক নেতা আল-আমীন হোসেন রুদ্র। তারা দুজনই বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত ছাত্রদলের দুই নেতা গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে তাদের ওপর হামলার বর্ণনা দিয়েছেন।

এর আগে দুপুরে সদর উপজেলার দালাল বাজারে মোরগ হাঁটা তোফায়েল আহমেদের তেলের দোকানের সামনে হামলার শিকার হন তারা।

ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক ইমন দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, এবং আল-আমীন হোসেন রুদ্র উত্তর হামছাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য সচিব।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমন ও রুদ্র জানান, বেলা ১১টার দিকে ইমন দালাল বাজারের তোফায়েলের তেলের দোকানে তেল কিনতে যান। সেখানে তিনি জানতে পারেন, প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১৩০–১৪০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। সরকারি নির্ধারিত দাম হচ্ছে ১১৬ টাকা। তেল দোকানদার তোফায়েলের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে একপর্যায়ে তার ছেলে জিহাদ ও তার অনুসারীরা এসে ইমনকে বেদম মারধর করেন। খবর পেয়ে ইমনকে উদ্ধার করতে গেলে হামলাকারীরা রুদ্রকেও মারধর করেন। এছাড়া তাদের দুইটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়।

সদর উপজেলা (পশ্চিম) ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. মিজানুর রহমান মিজান বলেন, অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করায় ছাত্রদলের ইমন প্রতিবাদ করেছিল। ক্ষিপ্ত হয়ে দোকানদার তোফায়েলের ছেলে জিহাদ তার অনুসারীদের নিয়ে ইমনকে মারধর করে। খবর পেয়ে রুদ্র গেলে তারা তাকে ও মারধর করে। আমরা এ ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করছি।

আরও পড়ুন

অভিযোগের বিষয়ে দোকানদার তোফায়েলের ছেলে জিহাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ইমনকে মারধরের বিষয়টি সত্য নয়। আমরা নিয়ম অনুযায়ী তেল বিক্রি করছি। অনেক মানুষ সিরিয়ালে তেল নিচ্ছে। ইমন এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। উত্তেজিত জনতা তাকে কিছু করেছে কিনা আমাদের জানা নেই।

দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার সময় আমার আদালতে একটি বৈঠক চলছিল। তখন একটি ফোন আসে যে এক ছেলেকে একাধিক যুবক ধাওয়া করছে। ছেলেটি একটি ঘরে আশ্রয় নেয়। পরিষদ থেকে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ঝলক মোহন্ত গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্কুলের অফিসকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে দুই শিক্ষকের ধস্তাধস্তি ও মারামারির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্কুলের অফিসকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
আরও পড়ুন
মাদরাসায় শিশুশিক্ষার্থীদের শিকলে বেঁধে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল
শিকলে বেঁধে মাদরাসার শিশুকে পেটানোর ভিডিও ভাইরাল
জামায়াত কোনো দিনই জাতীয় স্বার্থে রাজনীতি করেনি, দলীয় স্বার্থে করেছে: রিজভী
কিশোর অপরাধ দমন: লক্ষ্মীপুরে ৩ দিনে আটক ৫৪৯