ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

কিশোরীর ৬৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল তান্ত্রিক, ঘটনা কী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মা-বাবা ছোট দুই ভাই ও বোনকে বেশি ভালোবাসেন। বিষয়টি নিয়ে হতাশ ১২ বছর বয়সি কিশোরী শিরিন (ছদ্মনাম)। সে ভাবছে পরিবার তাকে অবহেলা করছে। কীভাবে বাবা-মায়ের ভালোবাসা পাওয়া যায়, জানার জন্য সে বিভিন্ন ভিডিও দেখা শুরু করল। সন্ধানে নেমে সে খোঁজ পেল মো. খোরশেদ নামে এক তান্ত্রিকের। কিশোরীর সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দেন ওই তান্ত্রিক।

এ জন্য কবিরাজ নামে দুটি এবং আল্লাহর দান নামে একটি ইমো অ্যাকাউন্ট থেকে কিশোরীরর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হতো। সমস্যা সমাধানের জন্য কিশোরীর কাছ থেকে ধাপে ধাপে টাকা নেন ওই তান্ত্রিক। একইসঙ্গে নেওয়া হয় ২৭ ভরি স্বর্ণ। একপর্যায়ে পরিবার জানতে পেরে বুঝতে পারে কিশোরী প্রতারণার শিকার হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআইয়ের জেলা পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত।

এর আগে গত ৯ এপ্রিল গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকা থেকে তান্ত্রিক মো. খোরশেদের দুই সহযোগী মুছা মিয়া ও রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি উপজেলার মাসকান্দা নতুন বাজার এলাকা থেকে তান্ত্রিকের ভিডিও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ

পরে মনির হোসেনের বাড়ির পাশের বাগানে মাটির নিচে পুঁতে রাখা ২৫ ভরি ৯ আনা ৪ রতি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। এ সময় একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সসহ মোট পাঁচটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এসব পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ৬৪ লাখ টাকা।

পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত জানান, ওই কিশোরী শেরপুর সদরের মাধবপুর এলাকার বাসিন্দা। সে স্থানীয় একটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রথমে টিকটকে মো. খোরশেদ কবিরাজ নামে এক প্রতারকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে প্রতারকের সহযোগীরা ইমোতে কিশোরীর সঙ্গে যোগাযোগ করত। তারা কবিরাজ ফি, খাসি, জায়নামাজ, আগরবাতি, মোমবাতি, দুধ ও ফলসহ নানা সামগ্রী কেনার কথা বলে গত ৬ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত ধাপে-ধাপে বিকাশের মাধ্যমে ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৫০ টাকা হাতিয়ে নেয়।

পরে আরও টাকার দাবি জানিয়ে কিশোরীর কাছ থেকে কৌশলে তার মা-বাবার প্রায় সাড়ে ২৭ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে আবার বিকাশে টাকা পাঠাতে গেলে দোকানদারের সন্দেহ হলে বিষয়টি কিশোরীর বাবাকে জানায়। এতে প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসে এবং কিশোরীর বাবা শেরপুর থানায় মামলা করেন।

পংকজ দত্ত বলেন, মামলাটি পিবিআই সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মোস্তফা কামালের নজরে এলে তার নির্দেশে জামালপুর পিবিআই তদন্ত শুরু করে। রহস্য উদ্‌ঘাটনে আমাদের একাধিক টিম কাজ করেছে। তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মূলহোতাসহ জড়িতদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্কুলের অফিসকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে দুই শিক্ষকের ধস্তাধস্তি ও মারামারির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্কুলের অফিসকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
আরও পড়ুন
জামালপুরে ২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় তিনদিন ঝোপে পড়ে ছিলেন গৃহবধূ, দুর্গন্ধে মিলল মরদেহ
প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে বিয়ের পিঁড়িতে ফিনল্যান্ডের যুবক
বাসচাপায় একসঙ্গে প্রাণ গেল শাশুড়ি-পুত্রবধূর