শরীয়তপুরের ডামুড্যায় এসএসসি পরীক্ষার একটি কেন্দ্রে পুরোনো সিলেবাসের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা কেন্দ্র সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে পরীক্ষার সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২ মে) সকাল সাড়ে ৯টার সময় ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালাহউদ্দিন আইয়ূবী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) উপজেলার শিধলকুড়া উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের পরীক্ষা শেষে সহপাঠীদের সঙ্গে প্রশ্নপত্র মিলিয়ে দেখার সময় তিনি বুঝতে পারেন, তার প্রশ্নপত্রটি অন্যদের থেকে ভিন্ন। পরে বিষয়টি তিনি তার বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জানালে তাঁরা যাচাই-বাছাই করে দেখেন, ডামুড্যা মুসলিম সরকারি উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ১২ নম্বর হলে ওমর ফারুককে ২০২৫ সালের পুরোনো সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অথচ তিনি নতুন সিলেবাসের ২০২৬ সালের পরীক্ষার্থী। এ ঘটনায় ওমর ফারুক মানসিক দুশ্চিন্তায় পড়েছে বলে জানা গেছে।
পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে তাদের অভিভাবকদের বিষয়টি জানালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকেরা।
শিধলকুড়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিকাশ বিশ্বাস বলেন, আমাদের শিক্ষার্থী ওমর ফারুককে পুরোনো প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। একই সঙ্গে অনুরোধ জানিয়েছি, সে যে প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছে, সেই উত্তরপত্রটি মূল্যায়নের জন্য বিবেচনা করা হোক।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালাহউদ্দিন আইয়ূবী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বসহকারে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় দায়িত্বরত কেন্দ্র সচিব মো. আবদুল মজিদ খান ও ট্যাগ অফিসার জাহিদুল ইসলামকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত ২১ এপ্রিল শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় আইসিটি বিষয়ের পরীক্ষা।
আরটিভি/টিআর




