ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

সীমান্তে গরু ছিনতাইয়ের চেষ্টা, ধাওয়া খেল বিএসএফ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
সীমান্তে বিএসএফ সদস্যরা গরু ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে, বাধা দেন গ্রামবাসী। ছবি: সংগৃহীত

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি সীমান্তে গরু ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও স্থানীয় বাংলাদেশি গ্রামবাসীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ধবলগুড়ি সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দ্রুত অবস্থান নিলে বিএসএফ পিছু হটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকালে জোংড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ধবলগুড়ি সীমান্তের ৮৭৩ নম্বর পিলার-সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশি মালিকানাধীন গরু ঘাস খাচ্ছিল। এ সময় বিএসএফের কয়েকজন সদস্য প্রথমে সেখানে উপস্থিত হয়ে ঘাস কাটতে থাকা দুই নারীকে বাধা দেন এবং গালিগালাজ শুরু করেন।

একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা জোরপূর্বক গরুগুলোর দড়ি কেটে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ওই নারীরা চিৎকার করলে গরুর মালিকসহ এলাকাবাসী ছুটে গিয়ে বাধা দেন। পরে বাংলাদেশি জনগণের প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ সদস্য এবং ভারতীয় নাগরিকরা লাঠিসোঁটা নিয়ে জিরো পয়েন্টে অবস্থান নেন। বিএসএফ সদস্যরা অস্ত্র উঁচিয়ে বাংলাদেশিদের দিকে তেড়ে আসার চেষ্টা করলে দুই দেশের মানুষ সীমান্তের জিরো পয়েন্টে মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসে।

খবর পেয়ে ধবলগুড়ি ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নেন। বিজিবির অনড় অবস্থানের মুখে বিএসএফ ও ভারতীয় নাগরিকরা ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

গরুর মালিক সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমার গরুগুলো সীমান্তে ঘাস খাচ্ছিল। বিএসএফ হঠাৎ এসে গরু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে নারীরা চিৎকার শুরু করেন। তাদের চিৎকার শুনে সীমান্ত এলাকার কয়েকশ মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে জড়ো হয়ে বাধা দেন।

আরও পড়ুন

জোংড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশি গরু ধরে নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএসএফের সঙ্গে স্থানীয়দের বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়েছিল। বিজিবি সময়মতো পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকা শান্ত থাকলেও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক রয়েছে।

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই সীমান্তে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। মূলত বিজিবি বিষয়টি তদারকি করছে এবং তাদের তৎপরতায় বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এ বিষয়ে বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে বিএসএফকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হবে।

আরটিভি/কেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘টাকার লোভ দেখিয়ে’ শিশুকে বাড়ি নিয়ে যান বৃদ্ধ, অতঃপর...
গাজীপুরে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রুহুল আমিন বাবু (৫৭) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে জেলার কালিয়াকৈরে এ ঘটনা ঘটে। আটক রুহুল আমিন বাবু একই গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে শিশুটি বাড়ির পাশে একটি পূজামণ্ডপের কাছে আয়োজিত মেলায় সহপাঠীদের সঙ্গে ঘুরতে যায়। এ সময় তাকে ১০০ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। শিশুটির চিকিৎসা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। শিশুটিকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। আরটিভি/টিআর
‘টাকার লোভ দেখিয়ে’ শিশুকে বাড়িতে নিয়ে যান বৃদ্ধ, অতঃপর...
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়তে মানিকগঞ্জে মাদকবিরোধী সমাবেশ
মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা, মাদক ব্যবসা ও আসক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং ঘিওরকে মাদকমুক্ত করতে গ্রামবাসীকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন করার লক্ষ্যে মানিকগঞ্জের ঘিওরে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়তে মানিকগঞ্জে মাদকবিরোধী সমাবেশ
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। একই সঙ্গে মহানগরী সংগঠন এখন থেকে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গত ১৪ অক্টোবর মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৪ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনা ও উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এতে নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জামায়াতের গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর ধারার ৩ নম্বর উপধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে ৬৩ নম্বর ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সংগঠন ও ইমারত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে মহানগরী সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ দায়িত্ব পালন করবেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। এদিকে, ১৪ অক্টোবরের ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। তদন্ত কমিটিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জামায়াতের আমিরের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। আরটিভি/টিআর
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
পূজামণ্ডপে অঘটন ঘটলে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে: এমপি সরোয়ার
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য এবং বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেছেন, কোনো পূজামণ্ডপে অঘটন ঘটলে সংশ্লিষ্ট এলাকার চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। 
পূজামণ্ডপে অঘটন ঘটলে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে: এমপি সরোয়ার
রাজবাড়ীতে ১৩ মামলার আসামিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা
রাজবাড়ী পৌর শহরের সজ্জনকান্দা এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে পিয়ারুল (৩০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত পিয়ারুল জেলার অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী বলে জানা গেছে। মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে পৌরসভার সজ্জনকান্দা মধ্যপাড়া মসজিদসংলগ্ন রাজনের দোকানের কাছে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পিয়ারুল সরদার রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বড় মুরারিপুর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সজ্জনকান্দা মধ্যপাড়া মসজিদে এশার নামাজ আদায় করে বের হওয়ার পর মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি পিয়ারুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। পরে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। এসময় দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ডা. অনিক কুমার মণ্ডল তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানায়, পিয়ারুল সরদারের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৩টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তারও হয়েছেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের কয়েকটি দল কাজ করছে। পিয়ারুলের বিরুদ্ধে মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশি তদন্ত চলছে। আরটিভি/টিআর
রাজবাড়ীতে ১৩ মামলার আসামিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা
আরও পড়ুন
বিজিবিতে সৈনিক পদে চাকরি, এইচএসসি পাসে আবেদন
সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারকালে বিজিবির অভিযানে সার জব্দ
বাংলাদেশে ঢুকে বিজিবি সদস্যদেরকে গুলি, ভারতীয় নাগরিক ধরা
বান্দরবান সীমান্তে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, বাংলাদেশি যুবক নিহত