চট্টগ্রাম নগরীর সাগরিকা ফ্লাইওভারে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া কাউসার আহমেদের কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। তবে তার বিরুদ্ধে দস্যুতা, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ একাধিক মামলার তথ্যও জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিএমপির উপ-কমিশনার (পশ্চিম) মো. আলমগীর হোসেন।
তিনি বলেন, নিহত কাউসার আহমেদের কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। তার মায়ের সঙ্গেও আমরা কথা বলেছি। তিনিও জানিয়েছেন, তার ছেলে রাজনীতি করত না।
ডিসি আলমগীর হোসেন জানান, কাউসারের বিরুদ্ধে নগরীর আকবর শাহ ও পাহাড়তলী থানায় দস্যুতা, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও ছিল। এছাড়া ২০১৭ সালে তিনি একবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কাউসার একাই ফ্লাইওভারে গিয়েছিলেন।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউসারের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের দাবি, নিহত কাউসার আকবর শাহ থানা ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক।
এর আগে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নগরীর সাগরিকা ফ্লাইওভারে ঝুলন্ত অবস্থায় কাউসারের মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পাহাড়তলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনার পর বুধবার (১৩ মে) সকালে পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ নুরুল আবছার বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়নি। পরিবার জানিয়েছে, কাউসার দীর্ঘদিন ধরে মাদক গ্রহণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে এবং ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে। কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/এসএস


