দেশের চার জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ঝড়-বৃষ্টির সময় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনায় দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
নওগাঁ: জেলার রানীনগর উপজেলায় বজ্রপাতে দাদা-নাতিসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন- উপজেলার পারইল ফকিরপাড়া গ্রামের মৃত আসাদ ফকিরের ছেলে আক্কাস ফকির (৫৮) ও আমিনুরের ছেলে তারেক ফকির (২৪) এবং গুয়াতা আটনিতাপাড়া গ্রামের হাশেম তালুকদারের ছেলে নয়ন তালুকদার (২৬)। কৃষক আক্কাস ফকির ও তারেক ফকির সম্পর্কে দাদা-নাতি। জানা গেছে, অন্যের জমিতে ধান কাটার কাজ করার সময় বৃষ্টির সঙ্গে হওয়া বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।
নাটোর: জেলার লালপুরে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেছে এসকেন আলী (৬৫) নামে এক ইটভাটা শ্রমিকের। লালপুর ইউনিয়নের সিরাজীপুর সুপার ইটভাটায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি উপজেলার বালিতিতা ইসলামপুর গ্রামের মৃত আদু আলীর ছেলে। একই ঘটনায় এক নারী শ্রমিক আহত হয়েছেন। আহত ওই নারীর নাম শাপলা খাতুন (৩০)। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া গুয়াতা আটনিতাপাড়া গ্রামের যুবক নয়ন তালুকদার মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেননি। বিকেলে স্থানীয় লোকজন মাঠে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পান। তার মাথার চুল ও পরনের কাপড় পোড়া অবস্থায় ছিল।
বরিশাল: বরিশালের গৌরনদীতে পান বরজে কাজ করার সময় বজ্রপাতে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন আরো একজন। নিহতরা হলেন মাহিলাড়ার ভিমেরপাড় গ্রামের আবু তালেব হাওলাদারের ছেলে আলিম হাওলাদার (৬০) ও উজিরপুরের খাটিয়ালপাড়া গ্রামের মুকুন্দ বালার ছেলে সুকান্ত বালা (৩৮)।
জানা গেছে, পানবরজে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন তারা। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পানবরজের পাশের একটি ছাউনিতে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই দুজন মারা যান। আহত একজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
কুড়িগ্রাম: জেলার চিলমারীতে পুকুরের মাছ দেখতে গিয়ে বজ্রপাতে রফিকুল ইসলাম (৩৭) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই এলাকার নুরজামালের ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাড়ির পাশের পুকুরে মাছ দেখতে গিয়ে আর ফেরেননি। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
আরটিভি/এমএইচজে



