যশোরের চৌগাছায় ভাড়া বাসা থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (২২ মে) নগরীর ডাকবাংলো সড়কের একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রানী খাতুন (২২) চৌগাছা উপজেলার মশিউরনগর গ্রামের মোস্তফার মেয়ে ও মেহেরপুর সদর উপজেলার টঙ্গি গ্রামের সদর আলীর ছেলে লিজন রেজার স্ত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চৌগাছা উপজেলা পরিষদের সামনে ডাকবাংলো সড়কে সানাউল্লাহর বাসার দ্বিতীয় তলায় লিজন রেজা স্ত্রী রানীকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন।
বাসা মালিকের ছেলে নাজমুল ইসলাম বলেন, লিজন রেজা বিভিন্ন দেশে লোকজন পাঠান। এ কারণে তিনি বেশিরভাগ সময় চৌগাছার বাইরে থাকতেন। মাঝে মাঝে চৌগাছায় এসে বাসাতে স্বামী-স্ত্রী ঝগড়া করতেন। শুক্রবার সকালে এমনই এক ঘটনায় তিনি হয়তো স্ত্রী রানী খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহ বিছানায় রেখে নিজে স্বাভাবিকভাবেই বাসা হতে বের হয়ে গেছেন।
স্থানীয়রা জানান, লিজন বাসার বাইরে গিয়ে তার শাশুড়ি আম্বিয়া খাতুনকে মোবাইল ফোনে জানান, ‘রানী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে, দ্রুত আসেন’। খবর পেয়ে গ্রাম থেকে ছুটে এসে ভাড়া বাসায় খাটের ওপর মেয়ের নিথর দেহ দেখতে পান আম্বিয়া। তার চিৎকারে স্থানীয় ব্যক্তিরা ছুটে আসেন। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) আহসান হাবিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। স্বামী নিখোঁজ এবং তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় সন্দেহ আরও জোরালো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটিত হবে।
আরটিভি/আইএম



