ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে ঘরে ফিরছে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের লাখ লাখ শ্রমিক ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে এবারের ঈদেও গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর ও নবীনগর- চন্দ্রা মহাসড়ক। ঈদকে কেন্দ্র করে প্রায় দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার জুড়ে এই মহাসড়ক যেনো যান-বাহন চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গত ঈদে স্বস্তির ঈদ যাত্রা থাকলেও এবার এ সড়ক দুটিতে তীব্র যানজটের শঙ্কা প্রকাশ করছে পরিবহন চালক ও ঘরে ফেরার অপেক্ষায় থাকা সাধারণ যাত্রীরা।
ব্যস্ততম এ মহাসড়ক দুটিতে যানচলাচলের চাপ সবসময় থাকলে ও ঈদে তা বেড়ে যাবে কয়েকগুণ। তবে এই মহাসড়কের প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে নানারকম সমস্যা। মহাসড়কে অটোরিকশার দৌরাত্ম্য, ফুটপাত দখল, এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কর্মযজ্ঞের কারণে কোথাও খানাখন্দ, কাদাযুক্ত আবার কোথাও রাস্তা সংকীর্ণসহ চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। ফলে চলাচলের সময় ৫ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে সময় লাগছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এতে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে পরিবহন চালক, শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীদের।
শ্রমিকদের সূত্রে জানায়, এবারের ঈদ যাত্রায় তীব্র যানজটের আশঙ্কা করছেন তারা। এছাড়াও পরিবহন শ্রমিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন কাউন্টার এবং পরিবহন সংশ্লিষ্টরা গার্মেন্টস ছুটির পর ভয়াবহ যানজটের শঙ্কাও প্রকাশ করছেন।
তবে সব ধরনের সমস্যা সমাধান এবং ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের ব্যাবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দেন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও যাত্রী ভোগান্তি লাঘবে শনিবার (২৩ মে) থেকে এলিভেট এক্সপ্রেসওয়ের সব কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং যাত্রীদের জানমাল ও ভোগান্তি এড়াতে পুলিশের পক্ষ থেকে নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্র্যাফিক পুলিশের পরিদর্শক রেজোয়ান আহমেদ।
আরটিভি/এমএইচজে



