সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঢাকার ধামরাইয়ে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৭ মে) সকাল ৭টায় ধামরাই সদর ইউনিয়নের শরীফভাগ এলাকায় নারী-পুরুষ মিলে প্রায় ৫০ জন একসঙ্গে ১২ তাকবিরের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন।
পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা আব্দুল গফুর সিরাজী।
আয়োজক কমিটি জানায়, শরীফভাগ এলাকার মানুষ এর আগে ঢাকা পূর্বাচলে নামাজ আদায় করতে যেতেন। বর্তমানে পাঁচ বছর ধরে এলাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথম দিকে নামাজ আদায় করতে কিছু বাধার সম্মুখীন হলেও এখন তা হয় না বলেও জানান তারা।
মাওলানা আব্দুল গফুর সিরাজী বলেন, আজ আমরা মুসল্লিদের নিয়ে ঈদুল আজহার সালাত আদায় করেছি। আমার বাড়ি সিরাজগঞ্জে, আর আমি মসজিদে ইমামতি করি। প্রায় ২০০০ সাল থেকে আমাদের এলাকায় ঈদুল আজহার সালাত আদায় করে আসছি। আমাদের গ্রামের মানুষ, ভাই, আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ এতে অংশ নেয়। এছাড়াও ময়মনসিংহ, জামালপুর, গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে আমি ঈদুল আজহার সালাত আদায় করেছি। এমনকি আজ ঢাকার ধামরাইয়ের শরীফভাগ কেন্দ্রীয় এলাকা থেকেও আমাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল ঈদুল আজহার সালাত আদায় করার জন্য।
তিনি বলেন, আমি যে ঈদুল আজহার সালাত আদায় করি, তা একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টির জন্য, কারও ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে নয়। আমার মুসল্লি ভাইয়েরা আল্লাহকে বিশ্বাস করে, আমিও আল্লাহ ও রাসুলকে বিশ্বাস করি। যেহেতু আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী সৃষ্টি জগৎ পরিচালিত হয়, তাই আমি সেই বিধান মেনেই কাজ করছি।
নামাজে অংশ নেওয়া ষাটোর্ধ্ব আব্দুল আজিজ নামে এক মুসল্লি বলেন, চাঁদের সঙ্গে ইবাদত-বন্দেগি আর সূর্যের সঙ্গে সময়-কাল চলে। যেমন আরাফার রোজা, সারা বিশ্বই রোজা রাখছে, কিন্তু যার যার সময় অনুযায়ী ইফতার করছে। সূর্য-চাঁদের হিসাবেই সবকিছু হয়। আজকে যারা রোজার মধ্যে থাকবেন, তারা তো শবে কদরও বলবেন। ২৭ তারিখের রাতও তো একই হিসাবেই আসে। আল্লাহর হুকুমেই চাঁদ চলে, আর আল্লাহরই বিধান মানা হয়।
আরটিভি/টিআর




