শিবিরে কমিটি গঠন নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা

আরটিভি নিউজ  

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ , ১০:১৪ পিএম


শিবিরে কমিটি গঠন নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা
ছাত্রশিবিরের নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা। ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরার দেবহাটায় ছাত্রশিবিরের নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, হট্টগোলের ও অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (২৭ মে) দুপুরে উপজেলা সখিপুর ফাজিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ শাখার সভাপতিকে মুলতবি করাকে কেন্দ্র করে উত্তর ও দক্ষিণ শাখার কয়েকজন নেতাকর্মী পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সখিপুর ফাজিল মাদ্রাসায় নতুন কমিটি গঠনের জন্য জেলা শিবিরের সেক্রেটারি, জেলা অর্থ সম্পাদক ও মাদ্রাসাবিষয়ক সম্পাদক সেখানে যান। এ সময় বঞ্চিত নেতাকর্মীদের সদস্যপদ বাতিলের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা না দেওয়ায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কয়েক দফায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে যান মাহাবুবুল আলম ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এমাদুল হক। তবে প্রথমদিকে তারা পরিস্থিতি শান্ত করতে ব্যর্থ হন।

খবর পেয়ে দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) রেজাউল করিম ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে পুলিশ ও জামায়াত নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং অবরুদ্ধ জেলা নেতারা সেখান থেকে বের হয়ে যান।

উত্তর (দেবহাটা) শাখার সভাপতি সাফায়েত হোসেন বলেন, আমাদের শাখার ১০ জন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলাম। জেলা কমিটি আমাদের সঙ্গে কথা না বলেই তা গ্রহণ করেছে। পরে বুধবার নতুন কমিটি গঠনের জন্য আসে। জেলা সভাপতি নিজের খেয়ালমতো কাজ করছেন। আমরা জেলা সভাপতির পদত্যাগ চাই।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি জোবায়ের হোসেন বলেন, ‘দেবহাটা শাখার সভাপতি সাফায়েত হোসেন স্বেচ্ছায় অভ্যন্তরীণভাবে কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আবেদনটি গ্রহণ করা হয়। পরে নতুন করে দায়িত্ব বণ্টনের জন্য জেলা সেক্রেটারির নেতৃত্বে নেতারা সেখানে গেলে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পুলিশ ও উপজেলা জামায়াত নেতাদের উপস্থিতিতে জেলা নেতারা সেখান থেকে বের হয়ে আসেন।’

দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) রেজাউল করিম বলেন, বাৎসরিক সেটিং ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে আলোচনা চলছিল। বর্তমান দায়িত্বশীলদের অনেকেই বাদ পড়তে পারেন, এমন আশঙ্কা থেকে তারা বাধা দিয়ে নেতাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ ও উপজেলা জামায়াত নেতাদের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হয়, ঈদের পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে সমাধান করা হবে। এরপর অবরুদ্ধরা ফিরে গেছেন।

উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এমাদুল হক বলেন, জেলা ও উপজেলা শিবিরের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। এ নিয়ে সাময়িক সমস্যার সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। ঈদের পর বাকি বিষয়গুলোরও সমাধান হয়ে যাবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission