চালক-যাত্রীদের মধ্যে সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ

আরটিভি নিউজ  

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ , ০৪:৫৩ এএম


চালক-যাত্রীদের মধ্যে সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ
ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মাইক্রোবাস চলক ও যাত্রীর মধ্যে ভাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৩৫ জন আহত হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় উভয় পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন

জানা গেছে, আহতদের মধ্যে পরিবহন শ্রমিক নেতা সিয়াম ও তানভীর নামের দুই জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আর অন্যান্যদের মধ্যে ১৫ জনকে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বাকিরা বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ ও টার্মিনালের ভেতরে থাকা কয়েকটি বাস ভাঙচুরসহ অন্তত ৩০ টি দোকানে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। 
 
ভৈরব থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হলে কিশোরগঞ্জ থেকে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান শেলির নেতৃত্ব অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাবের সহায়তায় রাত ১২ টায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে টিয়ার সেল নিক্ষেপ ও লাঠি চার্জে মধ্যে দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আসে। এই সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়।

সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার ভৈরবের দুর্জয় মোড় এলাকায় এক ব্যক্তি দুই নারীসহ একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করতে আসেন। এ সময় ভাড়া নিয়ে মাইক্রোবাসচালক পলাশের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি ওই যাত্রীর স্বজন এবং এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত অন্তর লাল ওরফে হুলুদের কানে পৌঁছায়।

অভিযোগ রয়েছে, বুধবার দুপুরে অন্তর লাল ও তার সহযোগীরা চালক পলাশের বাড়ি এবং মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের অফিসে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এর প্রতিক্রিয়ায় মাইক্রোবাসচালকদের একটি দল অন্তর লালের মালিকানাধীন হোটেল ও শোরুমে ভাঙচুর করে।

এরই ধারাবাহিকতায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় আশপাশের কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে ঢাকা সিলেট মহাসড়ক দখল করে উভয়পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া আর ককটেল বিস্ফোরণ হয়। এতে সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান শেলি বলেন, ভাড়া নিয়ে পরিবহন শ্রমিকদের সাথে স্থানীয়দের হাতাহাতি হয় তারই জের ধরে আজ সন্ধা থেকে স্থানীয় ও পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত ফোর্সসহ ভৈরবে এসে রাত ১২ টার দিকে টিয়ারসেল ও লাঠি চার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনা হয়।আশা করি আর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটবে না। এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission