ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

নেত্রকোনায় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে মুখ ও হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১১) মুখ ও হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী শিশুর বাবা।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত মুন্নাকে (২৫) একমাত্র আসামি করে মোহনগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করলে সেটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশ।

অভিযুক্ত মুন্না উপজেলার রানা হিজল গ্রামের বাসিন্দা।

সোমবার (১৫ জুন) গণমাধ্যমকে মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন।

পারিবারিক সূত্র ও এজাহার থেকে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র এবং কোনো সহায়-সম্পত্তি না থাকায় তারা উপজেলার রানা হিজল গ্রামের জনৈক এক তালুকদারের বসতবাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। গত ১২ জুন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে শিশুটি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হয়। এ সময় পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা একই এলাকার যুবক মুন্না (২৫) শিশুটির মুখ গামছা দিয়ে পেঁচিয়ে টেনে-হেঁচড়ে জনৈক তালুকদারের একটি পরিত্যক্ত রান্নাঘরের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে মুন্না শিশুটির মুখ, হাত ও পা গামছা দিয়ে বেঁধে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ শেষে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে ধারাল ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন। ভয়ে শিশুটি প্রথমে বিষয়টি পরিবারের কাউকে জানায়নি।

এরপর শিশুটির প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হলে রোববার (১৪ জুন) শিশুটি ব্যথায় কাতর হয়ে তার ফুফুকে (২৮) বিষয়টি খুলে বলে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর ফুফু তাৎক্ষণিকভাবে শিশুর বাবাকে বিষয়টি জানান।

আরও পড়ুন

ঘটনা জানার পর শিশুর বাবা ও ফুফু অভিযুক্ত মুন্নার বাবার কাছে বিচার চাইতে যান। অভিযুক্তের বাবা ঘটনাটি শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ভুক্তভোগীর পরিবারকে চরম ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং হুমকি দিয়ে বলেন, তোরা যদি এ বিষয়টি এলাকার কাউকে বলিস বা আইনের আশ্রয় গ্রহণ করিস, তাহলে তোদের একজনকেও এলাকায় থাকতে দেব না। তোদের সব কয়টাকে হত্যা করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলাইব।

ওসি মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, এ ঘটনায় গতকাল রাতে মামলা করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য আজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওসি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার আরও বিস্তারিত ও সুনির্দিষ্ট তথ্য উদঘাটনের জন্য আমাদের গভীর তদন্ত চলছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিশুকে নিয়ে ছাদে মোশাররফ, ইউপি চেয়ারম্যান বললেন ‘সুনাম ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার’
সাতক্ষীরা সদরে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মোশাররফ হোসেন (৫৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
শিশুকে নিয়ে ছাদে মোশাররফ, ইউপি চেয়ারম্যান বললেন ‘সুনাম ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার’
গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে
গাজীপুরে টঙ্গীর চেরাগআলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের ওষুধ কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে
ভবন নির্মাণের সময় আইনবহির্ভূত কাজ করলে আইনের আওতায় আনা হবে: গৃহায়ণ মন্ত্রী
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ভবন নির্মাণের সময় কেউ আইনবহির্ভূত কাজ করলে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।
ভবন নির্মাণের সময় আইনবহির্ভূত কাজ করলে আইনের আওতায় আনা হবে: গৃহায়ণ মন্ত্রী
বারবার বারণেও তালাক দেওয়া স্ত্রীর কাছে যাওয়া থামাননি দুলু মিয়া! পরে মিলল মরদেহ
টাঙ্গাইলের সখীপুরে তালাকপ্রাপ্ত দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ির পাশের ধানক্ষেতের কাছে দুলু মিয়া (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চটানপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত দুলু মিয়া ওই গ্রামের মৃত কাঞ্জু মিয়ার ছেলে। তিনি বড়চওনা রফিকরাজু স্কুলের দারোয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুলু মিয়ার প্রথম স্ত্রী আসমা বেগম জানান, প্রায় ১০ বছর আগে তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেন। কয়েক বছর আগে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে তার তালাক হলেও ওই বাড়িতে দুলু মিয়ার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। আমরা বারবার বলেও তাকে ফেরাতে পারিনি। ওরাই আমার স্বামীকে মেরে ফেলেছে। অন্যদিকে দুলু মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী জরিনা বেগম জানান, তালাকের পর দুলু মিয়ার সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। নিহতের ছেলে আজহার মিয়া বলেন, তার বাবা গত রাতে দোকানে চা পান করে বাড়িতে ফেরেন। পরে আবার বাইরে বের হন। এরপর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি তার বাবার মরদেহ রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয়রা জানান, দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ির পাশের ধানক্ষেতের কাছে দুলু মিয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আরটিভি/এমএইচজে
বারবার বারণেও তালাক দেওয়া স্ত্রীর কাছে যাওয়া থামাননি দুলু মিয়া! পরে মিলল মরদেহ
মুন্সীগঞ্জে একই দিনে দুই মায়ের ঘরে যমজ সন্তান, চার নবজাতকই সুস্থ
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় একই দিনে দুই প্রসূতির অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চার নবজাতকের জন্ম হয়েছে। এর মধ্যে এক দম্পতির ঘরে এসেছে দুই কন্যাসন্তান, অন্য দম্পতির ঘরে দুই পুত্রসন্তান। দুই দম্পতিরই এটি প্রথম সন্তান।
মুন্সীগঞ্জে একই দিনে দুই মায়ের ঘরে যমজ সন্তান, চার নবজাতকই সুস্থ
আরও পড়ুন
শিশুকে নিয়ে ছাদে মোশাররফ, ইউপি চেয়ারম্যান বললেন ‘সুনাম ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার’
৮০ বছরের বৃদ্ধার ঘরের পাশে ‘ঘুরঘুর’ করতেন ৬৫ বছরের বৃদ্ধ, অতঃপর...
ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত প্রভাবশালী অনলাইন তারকা, মামলা থেকে সরে এলেন তরুণী
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী