নৌকাসহ ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি

কক্সবাজার প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ , ১০:৪১ এএম


নৌকাসহ ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি
প্রতীকী ছবি

নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনাসংলগ্ন নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় মাছ ধরার সময় দুটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ ৭ জন বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। 

সোমবার (১৫ জুন) সকালে শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন সমুদ্রসীমায় এ ঘটনা ঘটে।

ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন- শাহপরীর দ্বীপ দক্ষিণপাড়া এলাকার কালা মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৫), কামাল হোসেনের ছেলে মো. জলিল (১৪), আব্দুস শুক্কুরের ছেলে আজম উল্লাহ (১২), মো. রফিকের ছেলে হেলাল (১২), মিস্ত্রিপাড়া এলাকার সব্বির আহমেদের ছেলে ফয়সাল আহমেদ (২৪), কোনাপাড়া এলাকার সলিম উল্লাহর ছেলে সৈয়দুর রহমান (২০) এবং সৈয়দ আলম।

এ ছাড়া ধরে নিয়ে যাওয়া নৌকা দুটির একটি শাহপরীর দ্বীপ দক্ষিণপাড়ার মো. ফয়সালের এবং অপরটি কোনাপাড়া এলাকার শওকতের মালিকানাধীন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, গতকাল সোমবার সকালের দিকে শাহপরীর দ্বীপের প্রায় ৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাংলাদেশের জলসীমা অতিক্রম করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে নাফ নদীসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী জেলেরা জানান, মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় তারা দূর থেকে দুটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাকে নিয়ে যেতে দেখেন। পরে বিষয়টি অন্য জেলেদের মোবাইল ফোনে জানানো হয়।

শাহপরীর দ্বীপের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মন্নান জানান, আরাকান আর্মি জেলেদের নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মো. অনীক চৌধুরী জানান, মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশের সময় ৭ জন জেলেসহ দুটি মাছ ধরার নৌকা আটকের বিষয়টি কোস্ট গার্ড নিশ্চিত করেছে। ঘটনাটি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি কোস্ট গার্ড ও বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে আটক জেলেদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission