পাবনার ঈশ্বরদীতে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও মাদকদ্রব্যসহ পুলিশের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (এটিএসআই) হত্যা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাবুপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মো. সেতু (৩২) ওই এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে।
অভিযানের সময় সেতুর কাছ থেকে একটি ওয়ান শুটার গান, চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত সেতু পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (এটিএসআই) সুজাউল ইসলাম হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৪ অক্টোবর সন্ধ্যার পর পাকশী পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত অ্যাসিস্ট্যান্ট টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (এটিএসআই) সুজাউল ইসলাম (৩২) নিখোঁজ হন। পরদিন হাত-পা দড়ি দিয়ে ও মুখ-চোখ সাদা কাপড় দিয়ে বাঁধা এবং গলায় গেঞ্জি দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। পাকশী রেলওয়ে স্টেশনের অদূরে ইপিজেড সড়কের পাশে একটি হলুদের ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন ও ঠোঁটে কাটা দাগ দেখতে পাওয়া যায়।
স্ত্রী নাছিমা আক্তার ও সাত বছরের একমাত্র ছেলে শাহরিয়ার নাছিমকে নিয়ে সুজাউল পাকশী রেলওয়ের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। তিনি বগুড়ার সদর থানার শেখপাড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।
পুলিশের দাবি, সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সুজাউলের মোটরসাইকেল ও একটি মোবাইল নিয়ে যায়।
আরটিভি/আইএম



