কুড়িগ্রামের দাঁতভাঙা সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ নতুন করে পুশ ইনের চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে ৩৫-বিজিবি জামালপুরের অধিনায়ক লে.কর্ণেল হাসানুর রহমান।
তিনি বলেন, রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্তের শূন্যরেখায় এখন পর্যন্ত ৫ জন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মানবিক কারনে দুই শিশুসহ তাদের বাবা মাকে সরিয়ে নেয়া হয়। এর আগে, গত ৫ দিন ধরে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করেছিল দুই অবুঝ শিশুসহ ৯ জন।
স্থানীয়রা জানান,মানবিক কারণে দুই শিশুসহ তাদের বাবা মাকে সরিয়ে নেয়া হয়। তারা এখন শুন্য রেখায় আর নেই।
সীমান্ত সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার গয়টাপাড়া এবং ইজলামারী ভন্দুর চর সীমান্তে দুই শিশু ও এক নারীসহ ৯ জন গত ৫দিন ধরে পুশ ইন চেষ্টায় শুন্য রেখায় অবস্থান করছিলেন। ৪ জন বৃহস্পতিবার সরানোর পর এখন বাকি ৫ জন রয়েছেন। যারা খাদ্য,পানি সংকটসহ রোদ বৃষ্টিতে একাকার হয়ে কষ্টে রয়েছেন।
বর্তমানে ওই ৫ জনকে কেন্দ্র করে অনেক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে দুই পাড়ের বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা। পাশাপাশি তাদের দেখভাল কম বেশি করার চেষ্টা স্থানীয় বাংলাদেশীদের।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন,বিএসএফ তাদের পুশ ইন করেছে রাতের আধারে। এখন আর ফিরিয়ে নেয়ার চেষ্টা নেই। আমরা স্থানীয়রা তাদের সামান্য খাবার,পানি দেয়ার চেষ্টা করলেও বিএসএফ এর ভয়ে অনেকেই যেতে সাহস পাননা। এমনকি তাদের অভিযোগ,বিএসএফ কারো সাথে কথাও বলেন না। এ অবস্থার দ্রুত নিষ্পত্তি চান তারা।
উল্লেখ্য, গত রোববার সকালে রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬জন এবং ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে ৩জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা সীমান্তের শূন্য রেখায় অবস্থান নিতে বাধ্য হন।
আরটিভি/ এসকেডি




