পাবনার সাঁথিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ৬ ঘণ্টার মধ্যে এক শিশুকে ধর্ষণের মামলার আসামি সুমনকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৯জুন) ভোর রাতে বেড়া বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৮ জুন সলঙ্গি গ্রামের জুয়েলের ১২ বছর বয়সী শিশু কন্যা নিজ ঘরে একা অবস্থান করছিল। ভিকটিমের বাবা কাজের তাগিদে ঢাকার সাভারে এবং মা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নানার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সুবাদে বাড়িটি ফাঁকা ছিল। এই সুযোগে প্রতিবেশী সুমন তাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যান।
ঘটনাটি পুলিশ জানতে পারার পর পরই সাঁথিয়া থানা পুলিশ দ্রুত অ্যাকশনে নামে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (বেড়া সার্কেল) সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলামের ফোর্সসহ একটি বিশেষ টিম গঠনে অভিযান শুরু হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনার ৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৯ জুন ভোর রাতে বেড়া বাজার এলাকা থেকে ধর্ষক সুমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা আসামিকে আইনের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ তৎপরতা চালাই। ৬ ঘণ্টার এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরাধীদের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এলাকাবাসী পুলিশের এই দ্রুত ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন।
আরটিভি/এসএস



