দিনাজপুরের হিলিতে প্রথমবারের মতো বাড়ির আঙিনায় আঙুর চাষ করে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন পলাশ হোসেন নামের এক যুবক। তার এই সাফল্য স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
দিনাজপুরের হিলির চন্ডিপুর গ্রামের যুবক পলাশ হোসেনের ইউটিউব দেখে আগ্রহ জাগে আঙুর চাষের। সে মোতাবেক নার্সারি থেকে দুটি চারা নিয়ে তিনি বাড়ির আঙিনায় রোপণ করেন। কিছুদিন পর থেকে গাছ বড় হতে থাকে। এরপর মাচা করে তিনি গাছ তুলে দেন দুই টিনের চালার মাঝে। নয় মাসের মাথায় গাছে ফল ধরতে শুরু করে।
আঙুর চাষি পলাশ জানান, গাছে বিপুল পরিমাণ আঙুর দেখে তিনিসহ পরিবারের লোকজন বেজায় খুশি। যদিও প্রথমে তাকে অনেকেই তিরস্কার করছিলেন এই গাছ লাগানোয়। প্রথমবার ১৩ কেজি আঙুর পান, যা তিনি ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন। এবার গাছে বিপুল পরিমাণ আঙুর ধরেছে। আশা করা যাচ্ছে, ২০ কেজির মতো ফল পাওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, সামনের দিনে আরও বড়পরিসরে চাষের ইচ্ছা রয়েছে তার।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এতদিন বিদেশে আঙুর চাষের কথা শুনলেও বাড়ির কাছে প্রথমবারের মতো আঙুর চাষ হতে দেখে অনেকেই তার বাড়িতে যাচ্ছেন। গাছে থোকায় থোকায় আঙুর ঝুলতে দেখে আগ্রহ নিয়ে পরামর্শ নিচ্ছেন চাষের।
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, বাংলাদেশের মাটিতে আঙুর চাষ সম্ভব, যা প্রমাণিত হয়েছে। তবে বাড়ির আঙিনায় প্রথমবারের মতো আঙুর চাষ করেছেন পলাশ নামের এক যুবক।
তিনি আরও জানান, আঙুর চাষে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। রপ্তানিযোগ্য একটি ফল চাষে স্বাবলম্বী হতে পারলে আমদানি নির্ভরতা যেমন কমবে, তেমনি লাভবান হবে কৃষকরাও। সেই সঙ্গে এই ফল রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব হবে।
আরটিভি/আইএম




