ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

স্ত্রী ও শিশু সন্তানের গলা কেটে পালালেন স্বামী

কক্সবাজার প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:১৪ এএম
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিজের স্ত্রী ও এক শিশু সন্তানকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এহতেহানুল (৩৭) হক নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আরেক সন্তান আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনার পর ঘাতক স্বামী পালিয়ে গেছেন।

নিহতরা হলেন- উখিয়ার কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকের এহতেহানুল হকের স্ত্রী শহীদ নুর প্রকাশ সুফিয়া (৩০) ও তার ছেলে মোহাম্মদ শামীম (৫)। আহত বড় ছেলে মো. আফছার প্রকাশ বাপ্পী (১৪) গুরুতর জখম অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন

কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ হুসাইন জানান, বুধবার (৮ জুলাই) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি/৬ ব্লকে পারিবারিক কলহের জেরে রোহিঙ্গা এহেসামুল হক ও তার স্ত্রী সুফিয়ার মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এহেসামুল হক ধারাল দা দিয়ে তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে শামীম ও বাপ্পীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলে স্ত্রী শহীদ নুর ওরফে সুফিয়া এবং ছোট ছেলে শামীমের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত বড় ছেলে মোহাম্মদ আফছার ওরফে বাপ্পীকে স্থানীয় রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত এহেসামুল হক পালিয়ে যান।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিনামূল্যে মদ না দেওয়ায় ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন
নরসিংদীতে বিনামূল্যে ১০ লিটার দেশীয় মদ না দেওয়ায় তানভীর আহমেদ রাব্বি (৩০) নামে একটি দেশীয় মদের দোকানের ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বিনামূল্যে মদ না দেওয়ায় ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন
সিলেটে মাদক-চোরাচালান দমনে কঠোর অভিযান, ৬০ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার
সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটে মাদক, চোরাচালান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে থানা পুলিশ। 
সিলেটে মাদক-চোরাচালান দমনে কঠোর অভিযান, ৬০ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার
কচুয়ায় অবসরপ্রাপ্ত ও মরণোত্তর ৮৪ শিক্ষক-কর্মচারীকে সম্মাননা প্রদান
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির উদ্যোগে অবসরপ্রাপ্ত ও মরণোত্তর শিক্ষক-কর্মচারীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত ৬৬ জন এবং মরণোত্তর ১৮ জনসহ মোট ৮৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
কচুয়ায় অবসরপ্রাপ্ত ও মরণোত্তর ৮৪ শিক্ষক-কর্মচারীকে সম্মাননা প্রদান
দুই মাদক কারবারিকে তাবলিগে পাঠিয়ে সুযোগ দিলেন ওসি
চাঁদপুরের কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম মাদক ব্যবসায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে তিন দিনের তাবলিগ জামাতে পাঠিয়ে সংশোধনের সুযোগ দিয়েছেন। একাধিক মাদক মামলায় জড়ানোর পরও জামিনে বেরিয়ে একই কর্মকাণ্ডে ফেরার অভিযোগ থাকায় তাদের এই সুযোগ দেওয়া হয়।
দুই মাদক কারবারিকে তাবলিগে পাঠিয়ে সুযোগ দিলেন ওসি
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র হামিম ৩ দিন ধরে নিখোঁজ 
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মো. হামিম খান নামে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্র তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। তাকে খুঁজে না পেয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে পরিবার। ছেলের সন্ধানে অভাবের সংসারের সব কাজকর্ম ফেলে পথে পথে ঘুরছেন বাবা-মা। নিখোঁজ হামিম খান ১২ উপজেলার সেহাংগল গ্রামের দিনমজুর মো. জাকির খানের ছেলে। সে স্থানীয় সুন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে হামিমের মা মোসা. ছবি বেগম ঘরের বাইরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় তিনি আড়াই বছর বয়সী ছোট ছেলেকে হামিমের কোলে দিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর ছোট ছেলের কান্নার শব্দ শুনে ছবি বেগম ঘরে এসে দেখেন, হামিমের কাছ থেকে ছোট ভাইটি মাটিতে পড়ে কাঁদছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি হামিমকে কিছুটা বকাঝকা করেন। এর কিছুক্ষণ পর হামিম স্বাভাবিকভাবেই বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। দুপুরে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, স্থানীয় আব্দুর রহিমের অটোরিকশায় করে হামিম স্বরূপকাঠির দিকে যাচ্ছিল। এরপর স্বরূপকাঠি, কাউখালী উপজেলা এবং বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নেওয়া হয়। আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের বাড়িতেও সন্ধান চালানো হয়। কিন্তু তিন দিনেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর হামিমের মা ছবি বেগম নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ছেলের নিখোঁজ হওয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা ছবি বেগম। তিনি বলেন, শনিবার সকালে ছোট ভাইয়ের সঙ্গে দুষ্টুমি করার কারণে ছেলেকে একটু বকাঝকা করেছিলাম। এরপর সে স্বাভাবিকভাবে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। দুপুরে বাড়িতে না ফেরায় আমরা খোঁজাখুঁজি শুরু করি। অনেক জায়গায় খুঁজেও তাকে পাইনি। এ কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। এদিকে দিনমজুর বাবা জাকির খানও ছেলের সন্ধানে কাজকর্ম বাদ দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হামিমের সন্ধান পাওয়ার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, হামিম নিখোঁজের ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর  
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র হামিম ৩ দিন ধরে নিখোঁজ 
আরও পড়ুন
কক্সবাজারে বেড়িবাঁধ পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী
কক্সবাজার সরকারি কলেজের ছাত্রীনিবাসে এলো ইয়াবার পার্সেল
আরাকান আর্মির গুলিতে বাংলাদেশি আহত
কক্সবাজারে হচ্ছে ব্লু ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয়